সামদানি হোসেন বাপ্পী
ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহের উত্তর দাপুনিয়ার ইউনিয়ন ভুঞ্জা বাড়ি ছেলের বউয়ের অত্যাচারের শিকার হলেন মা, ছেলে ও তার পরিবার সহ এলাকাবাসী। ময়মনসিংহ দাপুনিয়ার গত ৫ই ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে মোঃ ফুয়াদের স্ত্রী ওরফে মোছা: জ্যোতি আক্তার (২৪) ফুয়াদকে নিয়ে তিনি তার বাপের বাড়িতে থাকতেন। বাপের বাড়ি থাকা অবস্থায় ফুয়াদ ও জ্যোতির মধ্যে ভেদাভেদ, ঝগড়া লেগেই ছিল।আর এই ঝগড়ার মূল কারণ ছিল ফুয়াদ কোন কাজকর্ম করত না, বেকার ছিল । এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে মারামারি সৃষ্টি হয়েছে।। ঝগড়া করে ফুয়াদ জ্যোতির বাপের বাড়ি থেকে চলে যায়, কোথায় গিয়েছে জ্যোতিকে বলে যায়নি, বলে না যাওয়াতে জ্যোতি তার শশুর বাড়িতে চলে আসে এসে ফুয়াদের মাকে এবং তার বোনকে জিজ্ঞেস করে যে ফুয়াদ কোথায় তারা সেটা জানে না বলে অস্বীকার করায় জ্যোতি তাদেরকে মারধর করে, হুমকি দেয় যে ফুয়াদ কোথায় এনে দিতে। যদি না এনে দেয় তাহলে তার কাবিনের ২০ লক্ষ টাকা দিতে হবে বলে দাবি জানায় আর না হলে বাড়ি ঘর আগুন দিয়ে জালিয়ে দেবে। তাদের এসব ঝগড়া দেখে এলাকার মানুষজন ৯৯৯ ফোন দেয় । পরে পুলিশ আসাতে তাদের ঝগড়া বিবাদ থামে, পুলিশ যায়, পরদিন সারারাত নেশা করে এক পর্যায়ে কেরোসিন ঢেলে বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এলাকার মানুষ আগুন দেখে আগুন নিভানোর চেষ্টা করে ।তখন আগুনে পুড়ে যায় ঘরের সব জিনিসপত্র, টিভি, ফ্রীজ, আলনা, কোরআন শরিফ সহ সমস্ত কিছু। এমন সময় জ্যোতি পালিয়ে যেতে চেষ্টা করলে এলাকার মানুষ তাকে গাছের সাথে বেঁধে রাখে পুলিশ না আসা পর্যন্ত। পরে পুলিশ আসলে পুলিশ তাকে নিয়ে যায় থানায় পরে যার বাড়িঘর পুড়ে গেছে তারা কয়েকজন এলাকার মানুষ নিয়ে থানায় মামলা করতে যায়। থানায় গিয়ে পুলিশের জালেই আটকা পরে সেই অসহায় দুই মানুষ জানা যায় যার বাসায় আগুন দিছে তার নামেই মামলা দায়ের করে ওই পিচাষী নারী ওরফে জ্যোতি । মামলাটি দায়ের করা হয় ০৮ ফেব্রুয়ারিতে । এই মামলায় দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়। মামলাটি চলমান আছে। সাক্ষাৎকারে মেম্বার বলেন আমাদের রেখে দেন অনেকক্ষণ কথা কাটাকাটি পড়ে মেম্বার চলে আসেন এলাকাবাসী বক্তব্য বলেন জ্যোতি সব সময় তার শাশুড়ির সঙ্গে খারাপ আচরণ করতো তার জামাই বউ দুজনে নেশাগ্রস্থ শাশুড়ি গাছের সব সময় টাকা চাই টাকা না দিলে সে হুমকি দেয় বলে আগুন ঘরে আগুন লাগিয়ে দিব এলাকাবাসী আরো বলেন আমরা এই তা সঠিক বিচার চাই সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
