বাদী মোঃ সুলতান মিয়া (৩০), পিতা-বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল কুদ্দুস, সাং- পাঠাকাটা, থানা-নকলা, জেলা-শেরপুর। সিএনজি গাড়ীটি বাদীর ব্যক্তিগত বৈধ মালিক। আসামী শ্যামল মিয়া (৩২), পিতা-মোঃ রুহুল আমিন, সাং-চকসনয়, থানা-ফুলপুর, জেলা-ময়মনসিংহ মেসার্স সিলেটি হাঞ্জনিয়ারিং ওয়ার্কসপ গ্যারেজের মালিক। বাদী সিএনজি গাড়ীটি প্রতিদিন ৪৫০/- (চারশত পঞ্চাশ) টাকায় শেরপুর জেলার নকলা থানার মৃত আন্তাজ আলীর ছেলে মোঃ আঃ ছালাম (৪০), ভাড়ায় চালিয়ে নিয়মিত ভাবে প্রতিদিন বাদীকে ভাড়া প্রদান করে আসছে। প্রতিদিনের ন্যায় সিএনজি গাড়ীটি চালনা শেষে বাদীর বাড়ীতে ফেরত না দিয়ে মেসার্স সিলেটি ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসপে রেখে চলে যায়। বাদী তার সিএনজি গাড়ীটির কথা জিজ্ঞাস করিলে সিএনজি গাড়ীটির সেলফ স্টার্টে ত্রুটি হয়েছে বিধায় তার গ্যারেজে রেখে এসেছে বলে জানায়। অতঃপর পরদিন সকাল অনুমান ৯.০০ ঘটিকার সময় বাদী লোক মারফত জানতে পারে যে, তার সিএনজি গাড়ীটি চুরি হয়ে গেছে। তাৎক্ষনিক আসামী শ্যামলকে মোবাইল ফোনে ফোন করিলে সে ফোন রিসিভ করে নাই। উক্ত ঘটনার পর হতে আসামী শ্যামল মিয়ার গ্যারেজ বন্ধ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে, মোঃ সুলতান মিয়া (৩০) শেরপুর জেলার নকলা থানায় বাদী হয়ে অভিযোগ দাখিল করলে অফিসার-ইনচার্জ, নকলা থানার মামলা নং-১/২৩, তাং-০১/০২/২০২৪ ইং, ধারা-৩৭৯/৩৪ পেনাল কোড-১৮৬০ মামলা রুজু করেন।

এরই সূত্র ধরে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে জামালপুর ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার মেজর আবরার ফয়সাল সাদী এর নেতৃত্বে এবং র‍্যাব-১, সিপিসি-১, উত্তরা, ঢাকার সহায়তায় র‍্যাবের একটি যৌথ অাভিযানিক দল ইং ৩১/০৩/২০২৪ খ্রি. তারিখ ১৫.১৫ ঘটিকার সময় জিএমপি গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব ষ্টেশন রােড বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন তামিম ফার্মেসীর সামনে হতে আন্তঃ জেলা চোর চক্রের মূলহোতা শ্যামল আসামী শ্যামল মিয়া (৩২), পিতা-মোঃ রুহুল আমিন, সাং-চকসনয়, থানা-ফুলপুর, জেলা-ময়মনসিংহ’কে আটক করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীকে সূত্রোক্ত মামলা মোতাবেক শেরপুর জেলার নকলা থানার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও র‍্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

By news

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *