ময়মনসিংহ সদরে সিগারেট চাওয়ার মতো তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোহেল মিয়া হত্যা মামলার অন্যতম আসামি হযরত আলী (৩২) কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৪।
বুধবার দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে গাজীপুরের শ্রীপুর থানাধীন মাওনা এমসি বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। র্যাব-১৪, ময়মনসিংহ এর সিপিএসসি টিম গোয়েন্দা তথ্য ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে র্যাব-১, গাজীপুর ক্যাম্পের সহায়তায় এ অভিযান চালায়।
*যেভাবে ঘটে হত্যাকাণ্ড*
এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাতে নিহত সোহেল মিয়া স্থানীয় চুরখাই বাজারে যান। সেখানে পরিচিত ছোট ভাই রাতুল হাসান অমিয় (১৯) তার কাছে ধূমপানের জন্য সিগারেট চায়। ছোট হয়ে সিগারেট চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুজনের মধ্যে তর্কাতর্কি ও হাতাহাতি হয়।
পরে রাতুল হাসান অমিয় বিষয়টি অন্যান্য অভিযুক্তদের জানালে তারা ক্ষিপ্ত হয়। একই দিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তারা চুরখাই বাজারে এসে সোহেল মিয়াকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। পিঠে চাকু দিয়ে ঘাই দেওয়ায় তিনি গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন।
স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে সোহেলের মা ঘটনাস্থলে গিয়ে থানা পুলিশের সহায়তায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
*মামলা ও গ্রেফতার*
এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে ময়মনসিংহ সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-২০, তারিখ- ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। ধারা- ১৪৩/৩২৩/৩২৬/৩০৭/৩০২/১১৪/৩৪ পেনাল কোড।
হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই র্যাব-১৪ ছায়া তদন্ত শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার হত্যা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত হযরত আলী, পিতা- অজ্ঞাত, জেলা- ময়মনসিংহকে গ্রেফতার করা হয়।
*র্যাবের বক্তব্য*
র্যাব-১৪ এর এক কর্মকর্তা জানান, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এই হত্যা ঘটনার সাথে জড়িত বাকি আসামিদের ধরতে র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
