মোহন আলী
ভেড়ামারা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা কামাল মুকুল যুবকের খোঁজ খবর নিতে ছুটে গেলেন হাসপাতালে।
এব্যাপারে ফারাকপুর ২ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা,
ওয়াসিম উদ্দিন সবুজ বাদি হয়ে থানায় এযাহার জমা দিয়েছেন।
তিনি জানান, বিবাদী-০১। মোঃ জাহিদ (২০), পিতা-মোঃ আব্দুল লতিফ, সাং-ফারাকপুর, পৌর ০২ নং ওয়ার্ড, ০২। মোঃ লিটন আলী (২১), পিতা-মোঃ আমিরুল ইসলাম, সাং-চর-দামুকদিয়া (গ্যারেজ মাঠ সংলগ্ন), বাহিরচর, থানা-ভেড়ামারা, জেলা-কুষ্টিয়াগণের বিরূদ্ধে এই মর্মে লিখিতভাবে এজাহার দায়ের করছি যে, খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে পূর্ব শত্রুতার জেরে, বিবাদীদের সাথে আমার ছেলে মোঃ আব্দুল্লাহ আল সিফাত (২১) এর সাথে খেলা সংক্রান্তে কথা কাটাকাটির সৃষ্টির জেরে বিবাদীদের সাথে আমার ছেলের পূর্ব বিরোধ রয়েছে।
এরই জেরে, গত ইং-১৩-০৭-২০২৪ তারিখ রাত অনুমান ০৯:৩০ ঘটিকার সময় ভেড়ামারা থানাধীন আমার নিজ বাড়ি হতে বিবাদীরা কৌশলে আমার ছেলেকে বাহিরে আসার জন্য বললে আমার ছেলে সরল মনে বাহিরে বিবাদীদের সাথে বাহির হয়ে পাশে থাকা ফারাকপুর গ্রামস্থ হাজী আফছার উদ্দিন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের মাঠে বিবাদীরা আমার ছেলেকে নিয়ে যায়। বিবাদীরা ছেলেকে মিথ্যা দোষারোপ দিয়ে ০১ নং বিবাদীর হাতে থাকা ধারালো চাকু দিয়ে ছেলেকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলায় ঠেকিয়ে রাখে এবং ০২ নং বিবাদী আমার ছেলেকে ধাক্কা দিয়ে এবং বিবাদীর হাতে থাকা লোহার পাইপ দিয়ে মারতে মারতে স্কুলের পেছনে নিয়ে গিয়ে বিবাদীরা আমার ছেলেকে বেল্ট দিয়ে দুই হাত বেধে বিবাদীরা ছেলেকে এলোপাথাড়ি মারধর শুরু করে। ০১ নং বিবাদী হত্যার উদ্দেশ্যে ছেলের গলায় ধারলো চাকু দিয়ে পোচ দিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। বিবাদী আমার ছেলের গলার উপরে দাড়িয়ে শ্বাসরোধ করে এবং পাশে থাকা ০২ নং বিবাদীর হাতে থাকা লোহার পাইপ দিয়ে এলোপাথাড়ি মেরে ছেলের পিঠে, বুকে, পায়ে সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে মেরে বেদনাদায়ক কালোশিরা ও নিলাফোলা জখম করে। ডাক চিৎকারে আসা স্বাক্ষী-০১। মোঃ আব্দুল মান্নান (৫৩), পিতা-মৃত আব্দুল করিম, ০২। মোছাঃ রোজিনা খাতুন (৪৩), স্বামী-মোঃ ওয়াসিম উদ্দিন সবুজ, সাং-ফারাকপুর, পৌর ০২ নং ওয়ার্ড, থানা-ভেড়ামারা, জেলা-কুষ্টিয়াদ্বয়েরা সহ আশে ও পাশে থাকা স্থানীয় লোকজনেরা সবাই এগিয়ে আসলে বিবাদীরা ছেলেকে খুন জখমের হুমকি সহ বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি দেখিয়ে চলে যায়।
পরবর্তী সময়ে স্বাক্ষী ও স্থানীয় লোকজনের সহযোগীয়তায় আমাকে ভ্যান যোগে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট ভেড়ামারা উপজেলা স্ব্যাস্থ কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আমার ছেলেকে দেখে দ্রুত ভর্তি করে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবায় আমার ছেলে কিছুটা সুস্থ্য হলে পরিবার ও স্বাক্ষীদ্বয়ের সাথে কথা বলে বিবাদীগনের দ্বারা পরবর্তী আমার ছেলের ও পরিবারের যে কাহারো প্রাননাশ সহ যে কোন প্রকার বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার আশু সম্ভাবনা থাকায় আমি উপরোক্ত বিষয়টি নিয়ে আমার পরিবার এবং স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে আলাপ আলোচনা শেষে অত্র থানায় লিখিতভাবে এজাহার দায়ের করি।
গতকাল রোববার রাতে গুরুতর আহত যুবকের
খোঁজ খবর নিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছুটে যান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা কামাল মুকুল।
