বাদী মোঃ বেলাল ইউসুব (৪৪), পিতা-মোঃ আব্দুস সামাদ আকন্দ গত ইং- ০৯/০৩/২০২৪ তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ০৭.০০ ঘটিকার সময় তাহার ভাই শফিকুর রহমান পাভেল (৩৭) তাহাদের বাড়ীর দক্ষিন পার্শ্বে জনৈক সবুজ এর দোকানের সামনে হইতে নিখোঁজ হয় মর্মে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি নিখোঁজ জিডি করেন। পুলিশ সুপার জনাব মোঃ কামাল হোসেন, পিপিএম এর দিক নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার “বি” সার্কেল জনাব মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন এর নেতৃত্বে অফিসার ইনচার্জ, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত), পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) এসআই মোঃ মাহিদুল ইসলামসহ সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সের সহায়তায় অত্র জিডি/মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) মোঃ মাহিদুল ইসলাম তদন্তকালে উক্ত নিখোঁজ ব্যক্তির ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের কথোপকথোন বন্ধ থাকায় তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে নিখোঁজের শেষ কথোপকথোনের স্থান সনাক্ত করেন এবং তাহার সহিত পূর্বের ফোনালাপের ব্যক্তিদের সন্দেহের আওতায় রাখিয়া তাহাদের গতিবিধি অনুসরণ করেন। আসামীদের মধ্যে সন্দেহজনক ফোনালাপ এবং চলাফেরার অসংলগ্ন হওয়ায় নিখোঁজের বিষয়ে সন্দেহ হইলে উপরোক্ত গ্রেফতারকৃত আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেন। আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে নিখোঁজ ঘটনার বিষয়ে দেওয়া প্রদত্ত বক্তব্যের সহিত তাহাদের মুভমেন্টের ব্যাপক গড়মিল পরিলক্ষিত হওয়ায় তাহাদের নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে উপরোক্ত গ্রেফতারকৃত আসামীগণ অত্র হত্যাকান্ডের সহিত জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং হত্যা কান্ডের ঘটনাটি বিস্তারিত ও অপরাপর অজ্ঞাতনামা পলাতক আসামীদের নাম ঠিকানা প্রকাশ করে। আসামীগণ বাদীর পরিবারের সহিত পূর্ব শত্রুতার জের থাকার কারণে পলাতক আসামী শাহিন কৌশলে বাদীর ভাই শফিকুর রহমান পাভেলকে তাহার বসত বাড়ীর উত্তর দুয়ারী টিনের ঘরে ডাকিয়া নিয়ে যায়। সেখানে সকল আসামী উপস্থিত ছিল এবং পরস্পর যোগসাজসে পূর্ব শত্রুতার জের ধরিয়া গত ইং-০৯/০৩/২০২৪ তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ০৭.০০ ঘটিকা হইতে একই তারিখ রাত্রি ০৯.০০ ঘটিকার মধ্যে আসামীগণ একই উদ্দেশ্যে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দ্বারা ডিসিষ্ট পাভেলের মাথায়, পায়ের উভয় পাশে এবং গোড়ালিতে আঘাত করে এবং বাম পায়ের উরু ও ডান পায়ের গোড়ালির উপরে শক্ত কিছু দিয়ে আঘাত করে হত্যা করিয়া তাহার লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে গাইবান্ধা সদর থানাধীন রঘুনাথপুর মৌজাস্থ জনৈক সিরাজুল ইসলাম এর পরিত্যক্ত বাড়ীর বাহিরে অবস্থিত টয়লেটের ট্যাংকির ভিতর লুকাইয়া রাখে। বাদীর ভাই ডিসিষ্ট শফিকুর রহমান পাভেল এর লাশ ইং-১২/০৩/২০২৪ তারিখ সকাল ০৯.৩৫ ঘটিকার সময় উদ্ধার করিয়া জেনারেল হাসপাতাল গাইবান্ধায় ময়না তদন্ত শেষে লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়। পরবর্তীতে ডিসিষ্টের ভাই বাদী হয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যাহার মামলা নং-১০, তাং- ১২/০৩/২০২৪খ্রিঃ ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড।

গ্রেফতারকৃত আসামীঃ
১। মোঃ হাবিবুর রহমান হাবি (৪৪), পিতা-মৃত মন্টু মিয়া,
২। মোঃ সুজন মিয়া (৩৬), পিতা-মোঃ জবিউল ইসলাম,
৩। মোছাঃ অমেলা বেগম (৪২), স্বামী মোঃ শাহ আলম, সর্বসাং-রঘুনাথপুর, থানা ও জেলা-গাইবান্ধা।
উদ্ধারঃ
১) শফিকুর রহমান পাভেল (৩৭), পিতা-মোঃ আব্দুস সামাদ আকন্দ, সাং-রঘুনাথপুর, থানা ও জেলা-গাইবান্ধা
এর মত দেহ।
২) হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত একটি ধারালো দা।

প্রেস বিফিং জনাব মোঃ ইবনে মিজান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত, জনাব, মোঃ ইব্রাহিম হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) জনাব মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) অফিসার ইনচার্জ, গাইবান্ধা সদর থানা, জনাব মোঃ মাসুদ রানা, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জনাব মোঃ সেরাজুল হকসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার সদস্যগণ ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

By news

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *