পাইকগাছার পল্লীতে প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে রাতের আঁধারে চিংড়ী ঘেরে হামলা, জবর দখলের চেষ্টা এবং মারপিট করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কমপক্ষে ৫ জন আহত হয়েছে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
প্রাপ্ত অভিযোগে জানা যায় উপজেলার সোলাদানা ইউনিয়নের কাইনমুখী মৌজার আনুমানিক ৪০ বিঘা জমি নিয়ে পশ্চিম কাইনমুখী গ্রামের ধীরেন্দ্রনাথ মন্ডল ও তার ভাইয়ের শরীকদের সাথে একই ইউনিয়নের চারবান্ধা গ্রামের কুমুদরঞ্জন সানা ও তার শরীকদের সাথে দীর্ঘদিন বিরোধ ও মামলা মোকদ্দমা চলে আসছে । মামলা মোকদ্দমার এক পর্যায়ে মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে দেঃ ৪৫৫/৯৪ নং মামলায় ধীরেন্দ্র নাথ মন্ডল গং জয়লাভ করে। এছাড়া ধীরেন্দ্রনাথ মন্ডল দিং উক্ত জমিতে বিভিন্ন সময় ধান্য মৎস্য চাষ করিয়া আসিতেছেন।
উক্ত লীজ ঘের প্রতিপক্ষ কুমুদ রঞ্জন সানা ও তার লোকজন জবর দখলের ষড়যন্ত্র করলে এ বিষয়ে থানার ওসির মাধ্যমে কয়েক দফা বৈঠক হইলেও কুমুদ রঞ্জন সানা শালিসী সিদ্ধান্ত অমান্য করে জবর দখলের হুমকি অব্যাহত রাখে ।
যার ফলে ধীরেন্দ্রনাথের ভাইয়ের ছেলে কৃষ্ণপদ মন্ডল বাদী হয়ে কুমুদরঞ্জন সানাও তার পক্ষীয়দের বিরুদ্ধে ১৪৪ ধারা মতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করে। যার নং- এম.আর ৭৯/২৪, তারিখ- ২৮/০২/২০২৪। উক্ত মামলায় আদালত ওসি, পাইকগাছা থানাকে দখল ভিত্তিক স্থিতিবস্থা ও শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য আদেশ দেন। এদিকে আদালতের এ নির্দেশনা উপেক্ষা করে কুমুদরঞ্জন সানা ও তার লোকজন ২৮ মার্চ বৃহস্পতিবার রাতের আঁধারে ধীরেন্দ্র মন্ডলের বাড়ী সংলগ্ন লীজ ঘেরে হামলা করে জবর দখলের চেষ্টা করে এসময় বাঁধ।
দিতে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন মারপিট করলে ধীরেন্দ্র নাথ গংদের পঞ্চরাম মন্ডল, কৃষ্ণপদ মন্ডল, সন্ধ্যা মন্ডল, পাগলী মন্ডল ও দিপংকর মন্ডল গুরুতর আহত হয়। পরে তাদের চিৎকার শুনে এলাকার লোকজন ছুটে আসলে প্রতিপক্ষের লোকজন পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
এ ব্যাপারে মারপিট করার বিষয়টি সঠিক নয় বলে দাবি করেন কুমুদ রঞ্জন গংরা। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে জানান থানার ওসি ওবাইদুর রহমান। এদিকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল বলে জানা যায়।
