স্থানীয় প্রতিনিধি
সম্প্রতি রিমেল ঘূর্ণিঝড়ে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের হাটঘাটা গ্রামের বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টিনের চালার ঘরটি ভেঙে পড়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
স্থানীয়সূত্রে জানা গেছে, ২০০২ এলাকার বিদ্যানুরাগী মোস্তফা কামালের একক প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত হয় হাটঘাটা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি।
বর্তমানে স্কুলটির ভবিষ্যৎ নিয়েও দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।
বিদ্যালয়ের চার চালা টিনের ঘরটিতে পাঠদান করা হচ্ছিল। একবার সংস্কারও করা হয় ঘরটি। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতে ঘরটি ভেঙে পড়ে যায়।
নতুন করে ঘর না বানালে পাঠ দান তো দূরের কথা বিদ্যালয় রক্ষা করাই কঠিন হয়ে পড়েছে।
বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক রুখসানা পারভীন জানান, ২০০৭ সালে নিয়াগপ্রাপ্ত হয়ে বিনা বেতনে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করছি। ২০১৩ সালে জাতীয়করণে বাদ পড়ে বিদ্যালয়টি। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে চার জন শিক্ষক এবং শতাধিক শিক্ষার্থী আছে। সরকারি নিয়মানুসারে বিদ্যালয়ে পাঠ দান করা হয়।
তিনি বলেন, ঝড়ে ঘর ভেঙে যাওয়ায় পাঠ দান হচ্ছে। কখনও বারান্দায় আবার কখনও গাছতলায় বসে পাঠ দান চলছে।
বিদ্যালয়টি রক্ষা করতে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
ওই বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মোস্তফা কামাল বলেন, অনগ্রসর এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়াতে নিজস্ব জায়গায় নিজ উদ্যোগে স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করি।ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ ঘরটি চেষ্টা করছি সংস্কারের জন্য। এ ব্যাপারে সরকারি বা বেসরকারি সহযোগিতা পেলে ভালো হতো।
মধুখালী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, নিবন্ধন না থাকায় আমাতের কিছু করার নেই। যেখানে শিক্ষা আছে সেখানেই বই বিতরণের সরকারি নির্দেশনা রয়েছে। তাই বিদ্যালয়টিতে বই দেওয়া হয়।
মধুখালী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুহাম্মাদ মুরাদুজ্জামান বলেন, আমি খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।
