মোঃ ইমরুল আহসান
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের ছয়সূতীতে বিএনপির ডাকা ৭২ ঘন্টা অবরোধের প্রথম দিনে বিএনপির সাথে পুলিশের সংঘর্ষে বিল্লাল হোসেন (৪০) ও রেফায়েত উল্লাহ তনয় (২৩) নামে ২ বিএনপি নেতা নিহত হয়েছে। হামলায় কুলিয়ারচর থানার ওসি মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা সহ কমপক্ষে ১০ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮ ঘটিকার দিকে ভৈরব- কিশোরগঞ্জ হাইওয়ে রাস্তার ছয়সূতী বাসস্ট্যান্ডে ছয়সূতী ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে বিএনপির নেতাকর্মীরা অবরোধ পালনকে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে এই ঘটনা ঘটেছে।
নিহত বিল্লাল হোসেন স্থানীয় ছয়সূতী ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি ও মাধবদী গ্রামের কাজল মিয়ার ছেলে।ইউনিয়ন যুবদল নেতা রেফায়েত উল্লাহ তনয় বড় ছয়সূতী চক বাজার এলাকার কাউসার মিয়ার ছেলে। রেফায়েত উল্লাহকে গুরুতর আহত অবস্থায় ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসাধীব অবস্থায় মৃত্যু বরণ করে।
এই ঘটনায় বিএনপির আরও অন্তত ৫০ নেতা নেতাকর্মী আহত হয়েছে।
ঘটনা প্রসঙ্গে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার রাসেল শেখ (পি পি এম বার) তাত্ক্ষণিকভাবে ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের সাথে এক প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন আপনারা জানেন মানুষের জান মাল রক্ষার্থে পুলিশ দায়িত্ব পালন করে। দুর্বৃত্তরা এই পুলিশকে টার্গেট করে এখানে রাস্তায় টায়ার জালিয়ে কটকটে বিস্ফোরণ করে। পুলিশকে আহত নিহত করার জন্য এহেন কাজ নাই যে করে নাই। পুলিশের যে আইনানুগ অধিকার আছে পুলিশ সেই আইনানুগ কাজটি করছে, তাদের ছত্রভঙ্গ করেছে। কেউ কেউ আহত হয়েছে শুনেছি।তারপর আমরা বিস্তারিত খোঁজ খবর নিয়ে পরবর্তীতে জানাবো। যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে। দুই জন নিহত হওয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন আমরা এখনই বিষয়টি কনফার্ম করতে পারছি না, হাসপাতাল থেকে খোঁজ খবর নিব তারপর কে কিভাবে আহত হয়েছে আমরা খোঁজ নিব তারপর বলতে পারবো।
