লুৎফর রহমান
স্টাপ রিপোটার
জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার উদয়পুর ইউনিয়নের আনু ফকির বাজারের উত্তর পাশে আব্দুল আলীম (৪৫) এর বাড়ী। প্রথম স্ত্রী রেশমা বেগমের সাথে বনিবনা না হওয়ায় তাকে তালাক দিলে উক্ত রেশমা বেগম জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানায় বাবার বাড়ীতে থাকতেন। সাথে তার ছেলে রেজভী (২১) ও নানা টেলিসামাদের বাড়ীতে বসবাস করতেন। কয়েক বছর পর আব্দুল আলীম কালাই উপজেলার নুনুজ বাজারের আবু তালেবের মেয়ে তাসলিমা বেগমকে দ্বিতীয় বিয়ে করে সুখে শান্তিতে সংসার করেন। ২০ শে নভেম্বর ২০২৩ইং সোমবার রাত ৮টার সময় প্রথম স্ত্রী রেশমার ছেলে রেজভী তার বাবা আব্দুল আলীমের বাড়ীতে বেড়াতে এসে বাবার কাছ থেকে বাড়ী করে নেওয়ার বিষয়ে কথা কাটাকাটি হয়। শেষে রাত হওয়ায় আব্দুল আলীম ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী শয়ন কক্ষে গিয়ে ঘুমায়ে পরলে রাত আনুমানিক ১টায় রেজভী ও তার স্ত্রী জান্নাতী (১৯) যোগসাজসে ধারালো কুড়াল নিয়ে আব্দুল আলীমের শয়ন কক্ষে ঢুকে হত্যার উদ্যেশ্যে গলায় সজোরে কুড়াল দ্বারা আঘাত করার সঙ্গে সঙ্গে গলা থেকে রক্তক্ষরণ হয় এবং তার সৎ মা তাসলিমা বেগমকে এলোপাথারি ভাবে আঘাত করলে তিনি চরম ভাবে আহত হন। তাদের চিৎকারে পাশের বাড়ীর লোকজন এসে চিকিৎসা করার জন্য স্থানীয় কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। আব্দুল আলীমের শারীরিক অবস্থা আসংকাজনক হওয়ায় তাকে এবং তার স্ত্রীকে উন্নত চিকিৎসা করার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন। ২২শে নভেম্বর মঙ্গলবার সকাল ৭টায় আব্দুল আলীম মৃত্যুবরণ করলে তার ভাই মোঃ বাবলু ফকির, পিতাঃ মৃত আবু বক্কর, বাদী হয়ে কালাই থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মৃত আব্দুল আলীমের স্ত্রী বগুড়া মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। কালাই থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওয়াসীুম আলবারির দিক নির্দেশনায় এসআই জোব্বার তার সঙ্গীয় ফোর্সকে সাথে নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আসামীদ্বয়কে সন্ধ্যার সময় আটক করে থানায় নিয়ে আসেন। ২৩ শে নভেম্বর বৃহস্পতিবার উক্ত আসামী দ্বয়কে জয়পুরহাট জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে। এ তথ্যটি নিশ্চিত হওয়া গেছে কালাই থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এর কাছ থেকে।
