সিএমপি’র পশ্চিম বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার নিহাদ আদনান তাইয়ান মহোদয়ের সার্বিক দিক-নির্দেশনায়, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো: আশরাফুল করিম ও সহকারী পুলিশ কমিশনার মুকুর চাকমার তত্ত্বাবধানে, হালিশহর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কায়সার হামিদের নেতৃত্বে, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোজাহেদুল হাসান সঙ্গীয় এসআই/ মো. সাইফুল ইসলাম, এসআই/ মো. সোহেল রানা, এসআই/ মোহাম্মদ কহিনুর ইসলাম, এসআই/ মোবিনুল ইসলাম, এসআই/ মো. নজরুল ইসলাম, এএসআই/ আব্দুল হাই বাবলু, এএসআই/ সাদ্দাম হোসেন, এএসআই/ বেলায়েত হোসেন সাহেদ ০৬/০২/২০২৪ খ্রি. তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় মামলার এজাহারনামীয় পলাতক ওবায়দুল হক প্র. ওবায়দুল করিমকে চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া থানাধীন বড়লিয়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করেন।
পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিএমপি’র পাঁচলাইশ থানাধীন ষোলশহর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মামলার ঘটনার সাথে জড়িত মো. সেলিমকে গ্রেফতার করেন।
গ্রেফতারকৃত ওবায়দুল হক প্র. ওবায়দুল করিম চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া থানা এলাকার বাসিন্দা এবং মো. সেলিম সিএমপি’র পাঁচলাইশ থানা এলাকার বাসিন্দা হয়।
গত ২৬/০১/২০২৪ খ্রি. তারিখ রাত অনুমান ০৮.৩০ ঘটিকার সময় হালিশহর থানাধীন ছোটপুলস্থ আমজাদ আলী মুন্সি বাড়ির সামনে রাস্তার উপর আসামি ওবায়দুল করিম; ভিকটিম বিবি রহিমা আক্তারকে ফুসলিয়ে ও বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ি থেকে বের করে অপর আসামি ওবায়দুল করিমসহ তার সহযোগীয় পলাতক অন্যান্যরা ভিকটিমকে জোর পূর্বক অপহরণ করে অজ্ঞাতনামা গাড়ি যোগে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়।
পরবর্তীতে বর্ণিত এজাহারনামীয় ০১নং আসামি ওবায়দুল করিম; ভিকটিম বিবি রহিমা আক্তারকে মো. সেলিম এর বর্তমান বাসার ঠিকানায় নিয়ে যায়। উক্ত বাসায় আসামিদ্বয় ভিকটিমকে জোর পূর্বক একাধিকবার পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে আসামিদ্বয়সহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা ভিকটিমকে কৌশলে ঢাকায় পাঠিয়ে দেয় মর্মে তদন্তে পাওয়া যায়।
