১১ মে দুপুরবেলা অত্র থানাধীন ০২নং মোড়াকরি ইউ/পিস্থ জিরুন্ডা গ্রামের পার্শ্ববর্তী উজাদুর (পিলখানা) হাওড়ে জনৈক ইসলাম মিয়ার মালিকানাধীন ডোবার পশ্চিম উত্তর কোনায় মাটির নিচে পুতা অবস্থায় একটি অজ্ঞাতনামা মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামী / আসামীদের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করলে মামলাটি তদন্তকালে গত ১৪/০৫/২০২৪ খ্রিঃ বিকালবেলা জনৈক মাফিয়া আক্তার তার আত্মীয় স্বজনসহ বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রাপ্ত হয়ে থানায় আসিলে মৃতদেহের সাথে থাকা কাপড় চোপড় ও ছবি দেখে মৃত দেহটি তার স্বামী শাহ আমজাদ হোসেন নয়ন (৪৭), পিতা- মৃত শাহ মোজাম্মেল হোসেন, সাং- পূর্ব সিংহগ্রাম, থানা-লাখাই, জেলা- হবিগঞ্জ বলে সনাক্ত করেন এবং জানান তার স্বামী ভিকটিম শাহ আমজাদ হোসেন নয়ন একজন দলিল লেখক। ভিকটিম শাহ আমজাদ হোসেন নয়নের মিসিং মোবাইলের কললিষ্ট ও স্থানীয় প্রাপ্ত তথ্যের সূত্রে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার , হবিগঞ্জ সার্কেল হবিগঞ্জ এর সাবির্ক তত্ত্বাবধানে অফিসার ইনচার্জ লাখাই থানা, হবিগঞ্জ এর নিদের্শনায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জনাব চম্পক দাম সংগীয় এসআই শৈলেশ চন্দ্র দাশ ও অফিসার ফোর্সের সহায়তায় আসামী ১। রত্না আক্তার (২২), পিতা- আব্দুল আওয়াল, মাতা- মোছাঃ জোসনা বেগম, ২। মোছাঃ জোসনা বেগম (৪৭), স্বামী- আব্দুল আওয়াল, উভয় সাং- পশ্চিম বুল্লা, থানা-লাখাই, জেলা- হবিগঞ্জদ্বয়কে তাদের নিজ বাড়ী হইতে , ৩। আসামী ফারুক মিয়া প্রকাশ হারুন (২৫), পিতা- আব্দুল আওয়াল, সাং- পশ্চিম বুল্লা, ০৬ নং বুল্লা ইউ/পি, থানা –লাখাই, জেলা- হবিগঞ্জকে গতরাত ডিএমপি ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকা হইতে এবং ৪। আসামী মোঃ ইকবাল (৪০), পিতা- মৃত ছোয়াব আলী, সাং- জিরুন্ডা, ০২নং মোড়াকরি ইউ/পি, থানা-লাখাই, জেলা- হবিগঞ্জকে গতরাতে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার নাসিরনগর থানাধীন ফান্দাউক গ্রামের তার এক আত্মীয়ের বাড়ী হইতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামীরা ঘটনার দায় স্বীকার করেছে। আসামীদের যথাযথ পুলিশ প্রহরায় বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হইয়াছে।
