হোসেন আলী
ক্রাইম রিপোর্টার গাইবান্ধা
র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। র‍্যাব নিয়মিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, মাদক ব্যবসায়ী, ছিনতাইকারী, অপহৃত ভিকটিম উদ্ধার, ডাকাতসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গী সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যাপক মাত্রায় অভিযান চালিয়ে আসছে।

এরই ধারাবাহিকতায় ২১ নভেম্বর ২০২৩ খ্রিঃ বেলা ১৩.৩০ ঘটিকার সময় র‍্যাব-১৩, গাইবান্ধা ক্যাম্পের একটি

অভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, ০২ (দুই) জন লোক গাইবান্ধা জেলার সদর থানাধীন খামার

কামারজানি এলাকায় বিদেশী মদ বিক্রয় করার জন্য অবস্থান করতেছে। অতপর ১৫.৩০ ঘটিকায় উল্লেখিত স্থানে উপস্থিত হয়ে

অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ মাদকদ্রব্য ১৬৯২ (ষোলশত বিরানব্বই) বোতল বিদেশী মদ উদ্ধার করে, যাহার আনুমানিক

বাজার মূল্য প্রায় ২৫,০০,০০০ (পঁচিশ লক্ষ) টাকা। এ সময় ০২ (দুই) জন মাদক ব্যবসায়ী ০১। মো জাহিদুল ইসলাম

(৩৬), পিতা-মোঃ হযরত আলী, ০২। মোঃ ফারুক মিয়া (৩৫), পিতা- মকবুল, উভয় সাং-খামার কামারজানি, থানা-গাইবান্ধা

সদর, জেলা- গাইবান্ধাদ্বয় সুকৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পলাতক মাদক ব্যবসায়ীদ্বয় দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা

থেকে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করে আসছিল। উল্লেখ্য যে, তাহাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মাদক মামলা রহিয়াছে।

প্রাথমিকভাবে, পলাতক মাদক ব্যবসায়ীদ্বয়ের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত থাকার কথা জানা গিয়াছে। উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে গোপন অনুসন্ধান চলছে। উদ্ধারকৃত অবৈধ মাদকদ্রব্য ১৬৯২ (ষোলশত বিরানব্বই) বোতল বিদেশী মদ গাইবান্ধা জেলার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে

By news

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *