নিরব হাসান
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অদ্য ১৩ ফেব্রুয়ারী অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ খোরশিদ আলম এর নেতৃত্বে সর্বজনার উপপরিদর্শক মোর্শেদ আলম, সহকারী উপপরিদর্শক মোঃ রফিকুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম ভূইয়া, সিপাই সর্ব মাহমুদুল হাসান, মোঃ কায়কোবাদ পাবেল, মোঃ আশরাফুল আলম পাপ্পু, মোঃ রাজু মিয়া, শাহরিয়ার তুহিন এবং গাড়ীচালক মোঃ শরিফুল আলম এদের সমন্বয়ে একটি রেইডিং পার্টি গঠন করিয়া সরকারী গাড়ীযোগে ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালী মডেল থানাধীন মেহগনি রোডস্থ (সাহের কোয়ার্টার) আঞ্জুমান ঈদগাহ মাঠের উত্তর পার্শ্বের গেইটের সামনে রাস্তার উপর ছদ্দবেশে অবস্থান করি। অতঃপর ১৩:০০ ঘটিকার সময় আসামী মোঃ শাহিন মিয়া (২৮) আঞ্জুমান ঈদগাহ মাঠের উত্তর পার্শ্বের গেইটের সামনে রাস্তার উপর গোপন সংবাদ দাতার তথ্য মোতাবেক রেইডিং পার্টির সহযোগিতায় দন্ডায়মান অবস্থায় মোঃ শাহিন মিয়া (২৮)কে ঘেরাও পূর্বক আটক করি। অতঃপর উপস্থিত সাক্ষী সর্বজনাব ১। মোঃ আশরাফুল আলম (৫০) ও ২। চৌধুরী রজব (৪৫) (ঠিকানা জব্দ তালিকায় বর্ণিত আছে) এদের মোকাবেলায় বিধি মোতাবেক আসামী মোঃ শাহিন মিয়ার দেহ তল্লাশী করে তার পরিহিত লুঙ্গীর ডান কোচরে লুকানো অবস্থায় প্রাপ্ত দুইটি নীল রংয়ের জিপারযুক্ত পলি প্যাকেটে মিথাইল অ্যামফিটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেট প্রতিটি প্যাকেটে ৩০০ (তিনশত) পিস করিয়া মোট (৩০০x২)= ৬০০ (ছয়শত) পিস, যার ওজন ৬০ (ঘাট) গ্রাম উদ্ধার ও জব্দ করি। ঘটনাস্থলে উদ্ধার ও জব্দকৃত আলামতের একটি জব্দতালিকা ও লেবেল প্রস্তুত করে উহাতে সাক্ষীদের স্বাক্ষর নেই এবং আমি নিজেও উহাতে স্বাক্ষর করি। জব্দকৃত উভয় আলামত হইতে রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য নমুনা হিসেবে ০১ (এক) পিস করিয়া মোট ০২ (দুই) পিস মিথাইল অ্যামফিটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেট ‘ক’ ও ‘খ’ দ্বারা চিহ্নিত করে সাদা কাগজে পৃথক করিয়া নমুনা ও অবশিষ্ট আলামত সাক্ষীদের ও আমার স্বাক্ষরযুক্ত লেবেল সহযোগে ঘটনাস্থলে পৃথক পৃথক ভাবে সীলগালা করিয়া বিভাগীয় হেফাজতে গ্রহণ করি। আসামী মোঃ শাহিন মিয়া (২৮)কে ঘটনাস্থলেই হাতে নাতে গ্রেফতার করি। অতঃপর গ্রেফতারকৃত আসামী, আলামত ও রেইডিং পার্টিসহ ঘটনাস্থল ত্যাগ করি।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ শাহিন মিয়া (২৮)কে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিজ দেহে মিথাইল অ্যামফিটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেট সংরক্ষণ করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ সনের ৯(১) এর (খ) ধারা লংঘন করে একই আইনের ৩৬(১) এর সারণীর ক্রমিক নং ১০(ক) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় আসামীর বিরুদ্ধে আপনার থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করার জন্য অনুরোধ করা। হলো। মামলাটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা তদন্ত করবেন। জব্দকৃত আলামত বিভাগীয় হেফাজতে আছে। গ্রেফতারকৃত আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে যথাসময়ে সোপর্দ করা হবে। অত্র এজাহারের সাথে জব্দ তালিকার মূলকপি সংযুক্ত করিলাম।
সংযুক্তি :-১। জব্দ তালিকার মূলকপি ০১ (এক) পাতা।
এজাহারকারী
(মোঃ কবিরুল হাসান) পরিদর্শক
