সামদানি হোসেন বাপ্পী
ময়মনসিংহ
সেবার মান উন্নয়ন ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে ময়মনসিংহ সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস। সাব-রেজিস্ট্রার জাহিদ হাসানের দক্ষতা ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় অফিসটি বর্তমানে জেলার অন্যতম মডেল সাব-রেজিস্ট্রি অফিস হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
*রাজস্ব আদায়ে সাফল্য*
সূত্র জানায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ময়মনসিংহ সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের জন্য নির্ধারিত রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৫ কোটি টাকা। অর্থবছর শেষ হওয়ার আগেই অফিসটি ৪৮ কোটি টাকার বেশি রাজস্ব আদায় করতে সক্ষম হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ৭ শতাংশ বেশি।
*সেবার মানোন্নয়ন*
সাব-রেজিস্ট্রার জাহিদ হাসান যোগদানের পর থেকে অফিসের কাজে গতি এসেছে। দলিল রেজিস্ট্রেশনে দীর্ঘসূত্রিতা কমেছে। সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি বন্ধে ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ চালু করা হয়েছে। দলিল লেখক, নকলনবিশ ও কর্মচারীদের নিয়ে নিয়মিত সমন্বয় সভা করে কাজের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
দলিল তল্লাশি ও নকল সরবরাহে ডিজিটাল পদ্ধতি অনুসরণ করায় সময় কম লেগেছে। সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও অভিযোগ বাক্স চালুর ফলে দালালমুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে জানান সেবাগ্রহীতারা।
*সেবাগ্রহীতাদের বক্তব্য*
দিঘারকান্দা এলাকার বাসিন্দা আব্দুল মালেক বলেন, “আগে দলিল করতে অনেক ভোগান্তি হতো। এখন নির্দিষ্ট ফি দিয়ে দ্রুত কাজ হয়। স্যার নিজে সবার কথা শোনেন।”
দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মো. বাবুল বলেন, “জাহিদ হাসান স্যারের নেতৃত্বে অফিসের শৃঙ্খলা ফিরেছে। সরকারি রাজস্বও বেড়েছে।”
*সাব-রেজিস্ট্রারের বক্তব্য*
সাব-রেজিস্ট্রার জাহিদ হাসান বলেন, “সরকারের রাজস্ব আদায়ের পাশাপাশি নাগরিক সেবা নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা, সহকর্মীদের সহযোগিতা এবং সেবাগ্রহীতাদের আস্থার কারণে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হয়েছে। দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব অফিস গড়তে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের এ সাফল্য জেলার অন্যান্য অফিসের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
