মোঃ মিঠু মিয়া,
গাইবান্ধা প্রতিনিধি

প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সর্বস্তরের জনগণ।
গোবিন্দগঞ্জ ও পলাশবাড়ি উপজেলার তালুক কানুপুর চাঁদপাড়া গোবিন্দগঞ্জ সহ বিভিন্ন ইউনিয়নে এগারোটি ব্রাঞ্চ/শাখা অফিস খুলে প্রায় ৩৩ হাজার সদস্য সদস্য হত্যার মাধ্যমে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।।
গোবিন্দ জানা গেছে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা সমবায় অফিস থেকে নিবন্ধন নিয়ে কোন ক্ষমতাবলে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা নিজেকে পরিচালক এলাকার গরীব অসহায় মেহনতী মানুষের নিকট থেকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে সাপ্তাহিক ৫০ টাকা সঞ্চয় আদায় করছে।
আরও জানা গেছে ভর্তিতে ১০০ টাকা ফি জমা দিতে হচ্ছে।।
এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির দিদিকে জিজ্ঞাসা করলে তেনারা এই প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন সাইনবোর্ড ও অফিস দিয়ে তারা উচ্চ সুদের ব্যবসা করছে।।
এ বিষয়ে জেনারেল ম্যানেজার ফজলুল ইসলাম জানিয়েছেন প্রধান কার্যালয়সহ এগারটি শাখা অফিস
তাদের কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ৬০ জন।
সদস্য সংখ্যা প্রায় ৩৩০০০।
প্রত্যেক সদস্যের প্রায় 2 থেকে 10 হাজার করো করো করো 20000 টাকা সঞ্চয় রয়েছে।।
এ বিষয়ে উক্ত সংস্থার পরিচালক আওরঙ্গজেব কে মুঠোফোনে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান তার কাগজপত্র সব ঠিক আছে। গোবিন্দগঞ্জ সমবায় অফিস থেকে তিনি লাইসেন্স নিয়েছেন।।
সচেতন মহলের জিজ্ঞাসা সমবায় অফিস থেকে নিবন্ধন নিয়ে হাজার হাজার সদস্য ভর্তি করানো যায় কি।
সেই সঙ্গে কোটি কোটি টাকা সঞ্চয় আদায় করার পর তাহা উক্ত স্যার হিসাব এ জমা আছে কি।
অনেকের ধারণা হায় হায় কোম্পানির মত এই সংস্থাটি উদয় হবে নাতো।
রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট এলাকাবাসীর দাবি ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিশ্বব্যাংকের প্রত্যয়ন ছাড়া কিভাব সঞ্চয় ও ঋণদান কর্মসূচি পরিচালনা করতে পারে এটাই সকলের জিজ্ঞাসা।।
সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।।

By news

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *