মোঃ ইমরুল আহসান
মূল ঘটনা এতই স্পর্শ কাতর যে,কেউ শুনলে তার গা শিউরে উঠবে,এমন এক ব্যক্তি সেনাবাহিনীর কর্পোরাল সুমন লাল সরকার। ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার কৈলাটি গ্রামে তার বাড়ী। অন্য বাড়ির জায়গা বেদখল,চাদা দাবি, বেআইনি ভাবে হয়রানি এবং গুন্ডা প্রকৃতির লোকদের লেলিয়ে দিয়ে অবৈধ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার কুটকৌশলে মগ্ন এ ব্যক্তিটি সমাজ তথা জাতির ঘৃণিত ব্যক্তি।তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৭৯ ইস্ট বেঙ্গল সাপোর্ট ব্যটালিয়ান কক্সবাজারে কর্পোরাল পদে কর্মরত।
আর্মির পদবিকে ধূলিসাৎ করে অশুভ চক্রের সাথে ইদানিং তার যোগাযোগ তুঙ্গে।সন্দেহভাজন এ ব্যক্তির পিতা মৃত নৃরেন্দ্র লাল সরকার।সে ইতিমধ্যে সরকারি ছুটিতে এসেওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা,রতিন্দ্র লাল সরকার (৮০) ও জয়ন্ত লাল সরকারকে তার সহচরদের দিয়ে বিভিন্ন প্রকার হুমকি প্রদর্শন করে ।তার কিছু দিন পরে জয়ন্ত লাল সরকার কৈলাটি বাজারে গেলে সে হুমকি দেয় । তার কিছু দিন পর তারা দরবারের প্রতিশ্রুতি দেয়। জয়ন্ত লাল সরকার এবং রতিন্দ্র, লাল সরকার কে দরবারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলছে যে আমরা আগের মতো থাকতে চাই। তার পর আবার ২৫ মার্চ ২০২৩ তারিখে আবার দরবার ডাকে। সে দরবারের তালবাহানা করে এখন পর্যন্ত অযাচিত প্রভাব বিস্তার করছে। এ বিষয়ে একাধিক সংবাদ পএে নিউজ হয়েছে যা ৩০ শে জুন /২০২২,বৃহস্পতিবার, দৈনিক আমার সংবাদ পএিকায় প্রকাশিত হয়েছে ১৯ শে জুলাই /২০২২,মঙ্গলবার, দৈনিক আমার সংবাদ পএিকায় প্রকাশিত হয়েছে। ট্রাইবুনাল ১ লা জুলাই, ২০২২ ,দৈনিক আজকের বসুন্ধরা ০৪ ই জানুয়ারি /২০২৩ জাতীয় পএিকায় এসব বিষয়ের খবর প্রকাশিত হয়েছে। সুমন লাল সরকারের জ্যাঠাতো ভাই হারাধন লাল সরকার ইন্দন ও কার সাজির হোথা ছিলো। ঘটনাটি দীর্ঘ দিন পর চাপা থাকলে রতিন্দ্র লাল সরকারের ছেলে রাজন লাল সরকার জানতে পেরে তাকে জিঙ্গাসা করলে মূল ঘটনাটি না বলে এড়িয়ে যায়।সে জমির আত্মসাতের অশুভ পায়তারা চালিয়ে আসছে। এ বিষয়ে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট ফৌজদারী আদালতে সুমন লালের বিরুদ্ধে চলমান মামলা ধারা -৪৪৭/৩২৩/৩৫৪/৩৭৯/৫০৬/৩৪ দন্ড বিধি অনুযায়ী আদালত মামলাটি আমলে নেন। সুমন লাল সরকার তার দলবল সহ যে হামলা করেছিলেন ,তার ছবি ও সাক্ষী রয়েছে।
ঘটনাটি অনাভিপ্রেত, এ বিষয়ে দুর্নীতির শিরোমনি সুমন লাল সরকার,হারাধন লাল সরকার ,বিমল লাল সরকার ও দেবাশীষ এদের কে জিঙ্গাসা করলে অনেক তথ্য বেরিয়ে আসবে । এলাকা বাসী জানান অতিদ্রুত দোষী ব্যক্তিকে সনাক্ত করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্হা করলে অনেক নিরহ লোক ন্যায় বিচার পাবে।
