মোঃ নাসিরউদ্দিন
স্টাফ রিপোর্টার
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মালিকানাধীন উত্তরাঞ্চলের বৃহৎ পশুহাট রাজশাহী সিটিহাট ইজারায় গুরুতর ঘাপলার অভিযোগ উঠেছে। গত বছর ১২ কোটি টাকায় হাটটি ইজারা প্রদান করা হলেও এবার পাঁচ কোটি টাকা কমে ৭ কোটি ৪০ লাখ টাকায় ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সিন্ডিকেট করে হাটটি কম মূল্যে ইজারা দেওয়ায় সিটি কর্পোরেশন প্রায় ৫ কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতি হবে।

অভিযোগ উঠেছে, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের হাট বাজার ইজারা কমিটিও এই সিন্ডিকেটে সামিল হয়েছেন। এই সিন্ডিকেটে আছেন রাজশাহীর আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ঘনিষ্ঠ সুবিধাভোগী ঘাটিয়াল ও হাটিয়ালরা। এই হাট ইজারা সিন্ডিকেটের পেছনে বহুল আলোচিত রাজশাহীর হুন্ডি ব্যবসায়ীখ্যাত হুন্ডি মুকুল কলকাঠি নেড়েছেন বলে জানা গেছে। হুন্ডি মুকুলই সব টাকার জোগান দিচ্ছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। মুকুল গত আওয়ামী লীগ সরকার আমলে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রাজশাহীর প্রাত্যহিক সিটি পশুহাটসহ ১৪টি হাট বাজারের দরপত্র বিজ্ঞপ্তি জারি করে সিটি কর্পোরেশন। এরমধ্যে সিটিহাটের সম্ভাব্য মূল্য ধরা হয় ৭ কোটি ৩ লাখ ৮৪ হাজার ২৭৫ টাকা। গত ১১ মার্চ ছিল দরপত্র দাখিলের শেষ দিন। এ দিন সিটিহাটের ইজারায় ১৫টি সিডিউল বিক্রি হয়। তবে গত ১২ মার্চ দরপত্র দাখিলের শেষদিনে সমঝোতার মাধ্যমে মাত্র পাঁচটি দরপত্র জমা করা হয়।

এর মধ্যে সর্বোচ্চ দরদাতা হন শওকত আলী। তিনি এবার ইজারা মূল্য দিয়েছেন ৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা। ইজারা কমিটি দরপত্র খুলে তাকেই আগামী এক বছরের জন্য রাজশাহী সিটি পশুহাট ইজারা প্রদানের সুপারিশ করেন। এই শওকত আলী আলোচিত হুন্ডি মুকুলের বেয়াই।

হুন্ডি মুকুলের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর হামলায় মদদদানের অভিযোগে পাঁচটি মামলা রয়েছে। সম্প্রতি জামিনে বেরিয়ে মুকুল রাজশাহী অঞ্চলের অধিকাংশ হাটঘাট ইজারা নিতে তৈরি করেছেন শক্তিশালী সিন্ডিকেট।

এর আগে গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ওই সময়ে সরকারের ঘনিষ্ঠ লোকেরা সিটি হাটটি মূল্য কারসাজি করে গোপনে কম মূল্যে ইজারা নিতেন। কাউকে ইজারা দরপত্রে অংশ নিতে দেওয়া হতো না। একই ধারাবাহিকতায় এবারও একই কায়দায় সিটি হাট ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়েছে বলে অভিযোগে জানা গেছে। তবে ঘুরেফিরে আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী সিন্ডিকেটই এবারও সিটি হাটের ইজারা নি

By news

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *