মো: সাদিকুর রহমান
রাজশাহী দুর্গাপুর উপজেলার ১ নং নওপাড়া ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড গোপালপুর গ্রামের ঐতিহাসিক তিন গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ।
এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আনুমানিক দেড় হাজার বছরের ইতিহাস। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তারপরও রক্ষণাবেক্ষণ নেই। বাগান ও ফসলের ক্ষেত ঘেরা মসজিদ নিয়ে গ্রামের মানুষের আগ্রহের কমতি নেই। পৌরাণিক কাহিনীও আছে।
প্রচার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এখানে পর্যটকদের তেমন ভিড় নেই। কিন্তু রাজশাহী দুর্গাপুর উপজেলার থেকে দূরত্ব মাত্র ১০ কিলোমিটার। দুর্গাপুরের নওপাড়া ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামে দাঁড়িয়ে আছে ঐতিহাসিক মসজিদ।
গোপালপুর মসজিদ সম্পর্কে ইতিহাস তেমন কিছু বলেনি। মসজিদটির নির্মাণ কত সালে তাকেও জানেনা অনুমান করা হয়।
এ সময় স্থানীয় মুরুব্বীদের সাথে কথা বলে জানা যায় এই মসজিদটি অনেক পুরাতন একটি তিন গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ এ সময় মুরব্বিরা বলেন আমাদের শোনা কথা এটা নাকি অলৌকিক একটি তিন গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ আমরা শুনেছি এই মসজিদটি এক রাতে নির্মাণ করা হয়েছে।
দিল্লির মুঘল শাসকদের নির্দেশে স্থানীয় মুসলিম দরবেশ বা জমিদার এটি নির্মাণ করেছিলেন। মসজিদের ক্ষয়ে যাওয়া দেয়ালে এখনও কিছু শিল্পকর্ম রয়েছে। শিল্পকর্মটিতে গাছ, ফুল এবং লতাগুল্মের পোড়ামাটির চিত্রও রয়েছে। তৎকালীন হিন্দু অধ্যুষিত অঞ্চলে মুসলমানরা সংখ্যালঘু ছিল বলে ধারণা করা হয়।
