জেলার পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার, বিপিএম (বার), পিপিএম এর দিক-নির্দেশনায় ওসি ডিবি রুপন কুমার সরকার, পিপিএম(বার) এর তত্ত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা শাখার এলআইসি টিম জেলায় সংঘটিত বিভিন্ন চুরি, ডাকাতি, অপহরণ, হত্যার রহস্য উদঘাটনসহ অবৈধ অস্ত্রগুলি উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
তারই ধারাবাহিকতায় ০১ ডিসেম্বর হতে ০৬ ডিসেম্বর তারিখের মধ্যে যেকোন সময় যশোর কোতয়ালী থানাধীন খোলাডাঙ্গা সাকিনে জনৈক মহিবুর বাসা থেকে তাদের অনুপস্থিতকালে অজ্ঞাতনামা চোর/চোরেরা ৫ ভরি স্বর্ণালংকার, ল্যাপটপ, মোবাইল, ঘড়ি, কাপড়, নগদ টাকাসহ মোট ৮ লক্ষ টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় মহিবুর রহমান বাদী হয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় এজাহার দায়ের করলে কোতয়ালী থানার মামলা নং-১৬(১)২৪ রুজু হয়। উক্ত ঘটনা ছাড়াও যশোর শহর ও আশপাশে একাধিক চুরির ঘটনার তদন্তে নামে ডিবি’র এলআইসি টিম। এলআইসি টিমের এসআই মফিজুল ইসলাম, পিপিএম এর নেতৃত্বে একটি টিম ইং ১১/১/২০২৪ তারিখ রাতে পুলেরহাট, চাচড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে চক্রের ০৪ সদস্যকে গ্রেফতার করে মোবাইল ফোন, ঘড়ি, ল্যাপটপ, আয়রন, কাপড় চোপড় এবং চৌধুরী টাওয়ারের মর্জিনা জুয়েলার্স থেকে ২ ভরি ৯ আনা, ৫ রতি ৩ পয়েন্ট স্বর্ণালংকার উদ্ধার করে।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ২ জন জুয়েলার্স দোকানের মালিক ফিরোজ ও চোর চক্রের রবিউল এর স্ত্রী মহনা ওরফে রচনা বিজ্ঞ আদালতে দায় স্বীকার কাঃবিঃ ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি প্রদান করে। জানা যায়, বাদী মহিবুর পটুয়াখালী কুয়াকাটায় বেড়াতে গেলে সেই সুযোগে চোর চক্রের রবিউল ইসলাম ওরফে রবি, রাফীন, শাকিল ও ইসমাইল যোগসাজসে বাদীর বাসার তালা ভেঙ্গে প্রবেশ করে চুরি সংঘটন করে। রবিউল ইসলাম ওরফে রবি এবং রাফীন গত ১০/১/২০২৪ তারিখ রাতে মনিরামপুর এলাকায় চুরি করতে গিয়ে হাতে নাতে ধরা পড়ে। বর্তমানে তারা জেল হাজতে আছে।
আসামীর তথ্য:
১। মোঃ রাকীন হোসেন (১৯), পিতা- মৃত ইকবাল হোসেন, মাতা-রিতা বেগম, সাং-ভেড়বাড়ি ২। মোঃ ইসমাইল হোসেন (৩০), পিতা- ইউসুফ আলী খান, মাতা- হাজেরা বেগম, সাং-তপস্বীডাঙ্গা, বর্তমান ঠিকানা- তপস্বীডাঙ্গা পুলেরহাট সমিলের পাশে জনৈক জাকির হোসেন এর বাসার ভাড়াটিয়া, ৩। মহনা @ রচনা (২০), পিতা-মোঃ আসাদুজ্জামান স্বামী-রবিউল ইসলাম @ রবি, সাং- সিরাজসিংগা, বর্তমান ঠিকানা- চাচড়া রায়পাড়া জনৈক শুকুর আলীর বাসার ভাড়াটিয়া, ৪। মোঃ ফিরোজ হোসেন (২৪), পিতা- গোলাম মোস্তফা, মাতা- মর্জিনা বেগম, সাং-নাজির শংকরপুর, সর্বথানা-কোতয়ালী, জেলা-যশোর
উদ্ধারকৃত আলামতঃ
১। ২ ভরি ৯ আনা ৫রতি ৩ পয়েন্ট স্বর্ণালংকার
২। ১টি ল্যাপটপ
৩। ২টি মোবাইল।
৪। ২টি ঘড়ি।
৫। কাপড়
৬। আয়রন
৭। ইজিবাইক।
