ময়মনসিংহ শহরের সানকিপাড়া এলাকার বাদী ও বিবাদীরা পরস্পর বসবাস করে। তাদের মধ্যে প্রায় সময় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলে আসছিলো। ঘটনার দিন ২০ ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যা অনুমান ০৬.২৫ ঘটিকায় ভিকটিম রাজু(৩৪) ময়মনসিংহ শহরস্থ কালীবাড়ী ব্রীজ মোড় এলাকায় ভাড়াটিয়া বাসা হতে তার ব্যবহৃত মোটর সাইকেল যোগে সানকিপাড়া যাওয়ার পথে সানকিপাড়া রেল গেইট মসজিদ মার্কেট সংলগ্ন জুই মেডিসিন কর্ণার এর সামনে পৌঁছা মাত্রই বিবাদীরা চাইনিজ কুড়াল, রাম দা,চাকু, লোহার রড ইত্যাদি নিয়ে ভিকটিম রাজু(৩৪) এর পথরোধ করে মাথায়, ঘাড়ে, পিঠে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কোপ মেরে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে এবং মোটর সাইকেলটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে, বাদীর ডাক চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে বিবাদীরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। পরে, বাদী স্থানীয়দের সহায়তায় ভিকটিম রাজু(৩৪) কে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তৃব্যরত চিকিৎসক ভিকটিম রাজু(৩৪) কে মৃত ঘোষনা করেন। ভিকটিম রাজু(৩৪)‘কে হত্যার ঘটনায় ময়মনসিংহের কোতোয়ালি থানা এলাকাসহ সারাদেশে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মোঃ আবদুল্লাহ্ আল মামুন(৪৪), পিতা-মোঃ আব্দুস সালাম, সাং-নাসিরাবাদ কলেজ রোড (বগা বাড়ী), থানা-কোতোয়ালি, জেলা-ময়মনসিংহ এজাহারনামীয় ১৭ জন‘সহ অজ্ঞাতনামা আরো ৪/৫ জন‘কে আসামী করে ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। যাহার মামলা নং-৫৭, তারিখঃ ২২/০২/২০২৪খ্রি., ধারাঃ ১৪৩/৩৪১/৩০২/৪২৭/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০। উক্ত ঘটনার পর থেকে বিবাদীরা গা ঢাকা দিয়ে পলাতক ছিল।
৩। এরই প্রেক্ষিতে, বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে অধিনায়ক র্যাব-১৪, ময়মনসিংহ এর নির্দেশক্রমে র্যাব-১৪, সদর ব্যাটালিয়নের অপারেশনস্ অফিসার উপ-পরিচালক মোঃ আনোয়ার হোসেন এর নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল ইং ১১/০৩/২০২৪ ইং তারিখ দুপুর অনুমান ১২.৩০ ঘটিকায় ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানাধীন সানকিপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে হত্যা মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি ১। শান্ত(২৪), পিতা-পচা,সাং- গোহাইলকান্দি (ইন্দিরাপাড়),২। মন্টু (২৬), পিতা-আঃ মোতালেব, সাং-দাপুনিয়া (বিক্রমপুরি বাড়ী), উভয় থানা-কোতোয়ালি, জেলা-ময়মনসিংহ‘দেরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
ধৃত আসামিদেরকে ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
