সামদানি হোসেন বাপ্পী
ময়মনসিংহ।
ময়মনসিংহে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯৩ তম জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে নগরীর মুসলিম ইনস্টিটিউটের আয়োজনে ইনস্টিটিউট হলরুমে এ উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি অধ্যাপক দিলরুবা শারমীনের সভাপতিত্বে ও জেলা যুব মহিলালীগের আহবায়ক অধ্যাপক বিলকিস খানম পাপড়ি’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নাসিরাবাদ কলেজের রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসলিমা বেগম লাভলী। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিদ্যাময়ী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাছিমা আক্তার।
অতিথি বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) শিক্ষক পরিষদের সদস্য প্রফেসর ড. ফাতেমা হক শিখা, প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন শম্ভুগঞ্জ জিকেবি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সুলতানা পারভীন,
জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সহ- সভাপতি নুরজাহান বেগম মিতুসহ প্রমুখ। এ সময় সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক দিলরুবা শারমীন বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা লাভ করে বাংলাদেশ। লড়াই-সংগ্রাম-আন্দোলনের নেপথ্যে প্রেরণাদাত্রী ছিলেন শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। তিনি বঙ্গবন্ধুর গোটা রাজনৈতিক জীবন ছায়ার মতো অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি কাজে প্রেরণার উৎস হয়ে ছিলেন। বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ছয় দফা ঘোষণার পর বঙ্গবন্ধু যখন বারবার পাকিস্তানি শাসকদের হাতে বন্দি জীবনযাপন করছিলেন, তখন আওয়ামীলীগের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের কাছে ছুটে যেতেন। তিনি তাদের বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন দিকনির্দেশনা পৌঁছে দিতেন ও লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা জোগাতেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীলীগ নেতা কাজী আজাদ জাহান শামীম, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগ, জেলা যুব মহিলা লীগের নেতৃবৃন্দ, মুসলিম ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ প্রমুখ।
