৮ আগষ্ট,২০২৩ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর ৯৩ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও স্মৃতিচারণ অনুষ্টান ভাষা শহীদ আব্দুল জব্বার মিলনায়তন, জেলা পরিষদ, ময়মনসিংহে অনুষ্টিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উম্মে সালমা তানজিয়া, বিভাগীয় কমিশনার, ময়মনসিংহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবদাস ভট্টাচার্য্য বিপিএম, ডিআইজি, ময়মনসিংহ রেঞ্জ, মাছুম আহাম্মদ ভূঞা পিপিএম, পুলিশ সুপার, ময়মনসিংহ, মোঃ এহতেশামুল আলম, সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, ময়মনসিংহ জেলা শাখা, ইউসুফ খান পাঠান, চেয়ারম্যান, জেলা পরিষদ ময়মনসিংহ, এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, ময়মনসিংহ জেলা শাখা সহ প্রশাসনের আরো উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম তার কবিতায় লিখেছিলেন, ‘বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।’ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ছিলেন তার যথার্থ প্রতিফলন। বাংলার এই মহীয়সী নারী ১৯৩০ সালের ৮ আগস্ট গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা। বঙ্গবন্ধুর এসব লড়াই-সংগ্রাম-আন্দোলনের নেপথ্যের প্রেরণাদাত্রী এবং বঙ্গবন্ধুর সমগ্র রাজনৈতিক জীবন ছায়ার মতো অনুসরণ করে তার প্রতিটি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অফুরান প্রেরণার উৎস হয়েছিলেন বাংলার এই মহীয়সী নারী। বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মুক্তিযুদ্ধের সময় তো বটেই, বঙ্গবন্ধুর পুরো রাজনৈতিক জীবনে ছায়ার মতো পাশে ছিলেন। সে কারণেই একটি জাতির মনে স্বাধীনতার স্বপ্নের বীজ বপন করে এর স্বাদও এনে দিতে পেরেছিলেন বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধু, বাঙালি ও বাংলাদেশ যেন একই সূত্রে গাঁথা। তেমনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবও পরস্পর অবিচ্ছেদ্য নাম। বহুগুণের অধিকারিণী এই মহীয়সী নারীর অবদান ও তাঁর জীবন আদর্শ সবসময় আমাদের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
