আরিফ রববানী
ময়মনসিংহ
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস ঠেকাতে ময়মনসিংহ নগরীর খাঘডোহর ও গন্ডি বাজার মনিটরিং করেছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাইদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম।একই দিনে করেছেন পরিচ্ছন্নতারও অভিযান।
মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) দুপুর সারে ১২টার দিকে ময়মনসিংহ নগরীর ঐতিহ্যবাহী খাঘডোহর ও গন্ডি বাজারে বিভিন্ন কাঁচাবাজারসহ অন্য বাজারগুলো মনিটরিং করেন। এসিল্যান্ড কাঁচাবাজার, মাছ বাজার, মাংসের বাজারে মূল্যতালিকা দেখছেন। তালিকা অনুযায়ী ঠিক দামে বিক্রি হচ্ছে কিনা তাও দেখেন। এ সময় তারা বাজারের সব বিক্রেতাকে বলেন তারা যেন কোনো ধরনের চাঁদাবাজি না করেন, নিজেরাও যেন কাউকে চাঁদা না দেন। এ ছাড়া অযথা দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে না ফেলারও আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির জন্য পাইকারি বাজারের সিন্ডিকেটকে দায়ী করেন বিক্রেতারা। এ ছাড়া চিনি স্টক করে রাখা, মাছ ও মুরগির ওজনে কারচুপি, বাজারে চাঁদাবাজি এবং রাস্তার ওপর দোকানপাটসহ সব কিছুতেই পর্যবেক্ষণ করেন এসিল্যান্ড সাইদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম।
এ বিষয়ে এসিল্যান্ড সাইদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, সাধারণ মানুষের সবচেয়ে বড় ভোগান্তির জায়গা হলো নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম। এইজন্যই আমরা জেলা প্রশাসক মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় বিভিন্ন বাজারে মনিটরিংয়ে যাচ্ছি। আমরা আড়তে, পাইকারি-খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে দ্রব্যের দাম নিয়ে কথা বলেছি তারা আমাদের জানিয়েছেন এখন থেকে সীমিত মুনাফায় বিক্রি করবেন।
তিনি আরও বলেন, মূল্য নির্ধারণ ও সিন্ডিকেট মোকাবিলায় আমরা সদা তৎপর। সেজন্য বাজারের ক্রেতাদের এই বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করি। আমরা তাদের বলেছি কেউ যদি ক্ষমতার প্রভাব দেখানোর চেষ্টা করে তাহলে যেন আমাদের জানায়। ব্যবসায়ী, ক্রেতা, বিক্রেতারা এই ব্যাপারে প্রশাসনকে সহযোগিতা করবেন বলেও আশা পোষণ করেন এসিল্যান্ড।
এসম উপজেলা ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা তরীকুল ইসলাম, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
