স্থানীয় প্রতিনিধি

চট্রগ্রাম নগরীতে কিশোর গ্যাং এর সাদেক ও রমজান নামে দুই গ্রুপের মধ্যে পোষাক কারখানার টাকা নিয়ে পূর্বে থেকেই দন্দ্ব চলে আসছিল। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বেশ কয়েক বার ঝগড়া বিবাদ হয়। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ০৯ মে ২০২৪ ইং তারিখ রাতে আকমল আলী রোডে আবারও মারামারি হয় । এ সময় পোশাক শ্রমিক মেহেদী ও রিফাত তাদের মারামারির মধ্যে পড়ে যায়। এক পর্যায়ে ছুরিকাঘাতে রক্তাক্ত হন দুজন। তাদের গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মেহেদীকে মৃত ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে ভিকটিমের মা বাদী হয়ে সিএমপি, চট্টগ্রামের ইপিজেড থানায় ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা রুজু করেন।

এমন নির্মম, নৃশংস হত্যাকান্ড বিভিন্ন জাতীয়, স্থানীয় ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়াসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত হয় এবং জনমনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। উক্ত ঘটনার পর র‍্যাব-৭ (সদর কোম্পানি) গোয়েন্দা দল তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে জানতে পারে হত্যা কান্ডের সাথে সম্পৃক্ত আসামী ভোলা জেলায় অবস্থান করছে। ঘটনাটি জানার পর র‍্যাব-৭(সদর কোম্পানি)- র‍্যাব ৮ সিপিএসসি (ভোলা ক্যাম্প) এর সাথে যৌথভাবে ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং লোমহর্ষক ও চাঞ্চল্যকর এ হত্যার সাথে জড়িত ০২ জন অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

By news

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *