লুৎফর রহমান
স্টাফ রিপোর্টার
জয়পুরহাটের কালাই থানা পুলিশ আটক করেছে ডাকাত দলের লোকজনকে।
জয়পুরহাটের কালাই থানা অফিসার ইনচার্জ রফিকুল ইসলামের উদ্যোগে ৪ জানুয়ারি ২০২৬ রবিবার দুপুর ১২ টায় অত্র থানা চত্বরে জয়পুরহাট জেলা পুলিশ সুপার জনাব মিনা মাহমুদা ও সহকারি পুলিশ সুপার পাঁচবিবি সার্কেল জনাব তুহিন রেজাএবং কালাই থানা এসআই, এএসআই ও পুলিশ কনস্টেবলের উপস্থিতিতে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। ২০২৫ সালের ১৭ ই ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে জয়পুরহাটে কালাই উপজেলার পুনট ইউনিয়নের নান্দাইল দীঘি পূর্বপাড়া অধিবাসী আত্তাব আলীর মেয়ে মোসাম্ম ৎ শাহানার বেগমের বাড়িতে রাত আনুমানিক ২ টায় তার শয়ন ঘরের বারান্দার গ্রিরিল কেটে তার বাড়িতে ডাকাতি ও তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ঘরে ঢুকে উক্ত শাহানার বেগমের গলায় ধরা আলো চাকু ধরে ডাকাত দলের লোকজন স্টিলের রগ ভেঙ্গে নগদ ৭ লক্ষ টাকা এবং ছয় ভরি ও ৪ আনা ওজনের দুই কানের স্বর্ণের রিং যার মূল্য ১২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়াও একটি বাটন মোবাইল নিয়েছে যার মূল্য ১৩০০ টাকা এসব মিলে ১২ লক্ষ ৫১ হাজার ৩ টাকা ডাকাতরা লুট করে নিয়ে যায় এবং ভিকটিমকে গুরুতর আহত ও জখম করে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য স্থানীয় কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়। তার জখম কৃত বাম কানে ৮ টি সেলাই দেওয়া হয়। থানায় এজাহার সূত্রে জানা যায় পঁচিশে ডিসেম্বর ২০২৫ বৃহস্পতিবার উক্ত শাহানার বেগম কালাই থানা ইজাহার করেন যার মামলা নম্বর ১০, ধারা ৩৯৫ /৩ ৯৭ পেনেল কোড ১৮৬০ রুজু করা হয়েছে। উল্লেখিত মামলার পরিপ্রেক্ষিতে কালাই থানা অফিসার ইনচার্জ ওসির নেতৃত্বে অফিসার ও ফোর্সগণ মামলার ঘটনার থান পরিদর্শন করেন এবং ঘটনার সাথে জড়িত ও লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধারের জন্য সিনিয়ার সহকারী পুলিশ অফিসার পাঁচবিবি সার্কেল কালাই থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি সার্বিক তত্ত্বাবধানে থানা পুলিশে একটি শোকস্টিম অভিযান পরিচালনা করার সময় তথ্য প্রযুক্তির সহায় এজাহারভুক্ত এক নম্বর আসামি মোতালেব হোসেন কে ২ জানুয়ারি ২০২৬ শুক্রবার গ্রেফতার হয়। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী অভিযান চালিয়ে তিন জানুয়ারি ২০২৬ শনিবার উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত সবুজ মিয়া ২৮ পিতা মোবারক আলী, আঞ্জুমান ২৮ পিতা মোজাম্মেল হক, বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার বড় বেল ঘড়িয়া গ্রামের বিপুল ২৮ পিতা ইব্রাহিম।
