মোঃ ইমরুল আহসান
গত ২৯ আগষ্ট রাত অনুমান ০৮.০০ ঘটিকার সময় চা পান খাওয়ার উদ্দেশ্যে ভিকটিম লাল মিয়া খান (৫০) পিতা- মৃত আবুল হোসেন, সাং- নলদিঘী, থানা-তারাকান্দা, জেলা- ময়মনসিংহ বাড়ী থেকে নলদিঘী মোড়ে যায়। একই রাত অনুমান ১০.০০ ঘটিকার সময় ভিকটিম লাল মিয়া খান তাদের গ্রামের জনৈক কাশেম মিয়া চায়ের দোকান হইতে চা খেয়ে নলদিঘী মধ্যপাড়া গ্রামের দিকে গিয়ে আর ফিরে আসে নাই। ভিকটিমের পরিবারের লোকজন ভিকটিমকে বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজি করে কোথাও না পাইয়া তারাকান্দা থানার সাধারণ ডায়েরী নং-১৪৩৬, তারিখ ৩০/০৮/২০২৩ ইং লিপিবদ্ধ করে। আবুল খায়ের অফিসার ইনচার্জ তারাকান্দা থানা উক্ত সাধারণ ডায়েরীর তদন্তভার এসআই (নিঃ) মো: রায়হানুর রহমান এর অর্পন করেন। এসআই (নিঃ) মো: রায়হানুর রহমান উক্ত সাধারণ ডায়েরী বিষয়ে তদন্ত কাজ শুরু করে। তদন্তকারী কর্মকর্তা নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে তদন্তকাজ চলমান রাখেন। পরবর্তীতে ইং-৩১/০৮/২০২৩ তারিখ দুপুর অনুমান 12.05 ঘটিকায় অজ্ঞাতনামা আসামী ফোন করে ৩০,০০,০০০/- (ত্রিশ লক্ষ) মুক্তিপণ দাবী করে। অতপর ইংরেজী ০১/০৯/২০2৩ খ্রি: সকাল অনুমান ০৬.০০ ঘটিকায় তারাকান্দা থানাধীন নলদিঘী মধ্যপাড়া সাকিনস্থ জনৈক মজিবুর রহমান এর বসত বাড়ীর অনুমান ২০০ গজ দক্ষিণ দিকে তাহার মালিকানাধীন ফিসারীর পুকুরে ভিকটিমের লাশ পাওয়া যায়। উক্ত ঘটনার সংবাদ পাইয়া সহকারী পুলিশ সুপার ফুলপুর সার্কেল ময়মনসিংহ এর নেতৃত্বে অফিসার ইনচার্জ তারাকান্দা এর দিকনির্দেশনায় তদন্তকারী কর্মকর্তা সহ অন্যান্য অফিসার ও ফোর্স সহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভিকটিমের লাশ পুকুরের পানির নিচ থেকে উত্তোলন করে ভিকটিমের সুরতহাল প্রস্তুত সহ আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। পরবর্তীতে ভিকটিমের ছেলে রাসেল মিয়া থানায় হাজির হয়ে অভিযোগ দায়ের করলে তারাকান্দা থানার মামলা নং-০২, তারিখ-০১/০৯/২০২৩ইং, ধারা- 368/৩৮৫/৩০২/২০১/৩৪ রুজু হয়। অফিসার ইনচার্জ মামলাটির তদন্তভার এসআই (নিঃ) মো: রায়হানুর রহমান এর অর্পন করে। মামলাটি রুজুর পূর্বেই ১। সোহেল মিয়া (৩৫), পিতা-শাহ জাহান, ২। শাহীন মিয়া (৪৫), পিতা-আঃ জব্বার খান, ৩। আব্দুল বারেক (৪০), পিতা-আলী আকবর সর্ব সাং-নলদিঘী, থানা- তারাকান্দা, জেলা-ময়মনসিংহ।
