২৫ জুলাই ২০২৩ তারিখ রাত ২১.৩০ ঘটিকায় ধোবাউড়া থানাধীন ৬নং ঘোষগাঁও ইউনিয়নের বালিগাঁও নামক স্থান থেকে মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তজার্তিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী মোঃ মহরম আলী (৭৬) পিতা-মৃত আব্দুর রহমান ফকির, মাতা-মৃত লাবজান, সাং-পশ্চিম বালিগাঁও, থানা-ধোবাউড়া, জেলা-ময়মনসিংহ-কে তার নিজ বাড়ির সামনে পাঁকা রাস্তার উপর থেকে ধোবাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ টিপু সুলতান এর নেতৃত্বে থানা পুলিশ কতৃর্ক গ্রেফতার করা হয়। ২০১৮ সালে তার বিরুদ্ধে আন্তজার্তিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর ওয়ারেন্ট জারি হওয়ার পর থেকে দীর্ঘ ৫ বছর তিনি ঢাকাসহ বিভিন্ন অজ্ঞাত স্থানে পলাতক থাকার পর গতকাল গোপনে নিজ বাড়িতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসেন।
তার বিরুদ্ধে আন্তজার্তিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ কতৃর্ক আনীত অভিযোগসমূহ হল, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ধোবাউড়া থানাধীন বালিগাঁও গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামীলীগ নেতা মৃত হাতেম আলীর বাড়িতে অগ্নিসংযোগসহ তাকে ও তার পরিবারকে হত্যার চেষ্টা করেন। তৎকালীন ধোবাউড়া থানার পূর্বধলা (বর্তমানে নেত্রকোণা জেলার অন্তর্গত) এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে মোট ৪৫ জন সাধারণ মানুষকে নৃশংসভাবে হত্যা করার পর তারাইকান্দি বধ্যভূমিতে তাদের লাশ নির্দয়ভাবে ফেলে রাখেন। এছাড়াও মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বিভিন্ন সময় তিনি ধোবাউড়া থানার অসংখ্য পরিবারের মহিলাদেরকে জোরপূর্বক ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতন করেন।
তার বিরুদ্ধে রুজুকৃত আন্তজার্তিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর মামলা নং-৪/২০১৮, ধারা- আন্তজার্তিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩ বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। তাকে দ্রুততম সময়ে আদালতে প্রেরণ করা হবে।
এ সম্পর্কে জেলা পুলিশ সুপার এর সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়। পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা, পিপিএম নেতৃত্বে এখন পর্যন্ত মোট চার জন মানবতাবিরোধী অপরাধীকে গ্রেফতার কর হয়েছে।
