আশেক মাহমুদ শাকিল
বিশেষ প্রতিনিধি
পুলিশ সূত্রে জানা যায় সূত্রে উল্লেখিত মামলায় এজাহার নামীয় গ্রেফতারকৃত আসামী ১ মাহমুদুল হাসান ওরফে রাকিব (৪০), পিতা-মৃত আঃ মালেক মাস্টার, মাতা-মৃত জহুরা খাতুন, সাং-দত্তপাড়া, থানা-ঈশ্বরগঞ্জ, জেলা-ময়মনসিংহ ইং ০৬/০১/২০২৬খ্রিঃ রাত ২০.৩০ ঘটিকার সময় দত্তপাড়া সাকিন্তু আসামীর নিজ বাড়ি হতে গ্রেফতার করিয়া প্রয়োজনীয় পুলিশ স্কর্টের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করেন এবং বলেন যে, এজাহার নামীয় গ্রেফতারকৃত আসামী মাহমুদুল হাসান ওরফে রাকিব এর সহিত বাদীর মেয়ে ভিকটিম নুসরাত জাহান চান শিপাকে। বিগত ইং ০৫/০৭/২০১৯ খ্রিঃ তারিখে ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক রেজিস্ট্রি কাবিন মূলে বিবাহ বাহ করে। হর পর বাদীর মেয়ের গর্ভে গ্রেফতারকৃত আসামীর ঔরষের একটি কন্যা সন্তান জন্ম গ্রহণ হণ করে। গ্রেফতারকৃত আসামী মাহমুদুল হাসান ওরফে রাকিব বাদী মেয়েকে বিবাহ করার দুই বছর বিদ্যমান রাখিয়া এজাহার নামীয় ০৩নং আসামী ফারজানা হক অন্তকে ২য় স্ত্রী হিসেবে বিবাহ করে। বাদীর মেয়ে মান-সম্মানের কথা চিন্তা করিয়া গ্রেফতারকৃত আসামীর সাথে তাহার সংসার জীবন চালাইয়া যায়। কিন্তু গ্রেফতারকৃত আসামী মাহমুদুল হাসান ওরফে রাকিব। শাকিব তাহার ২য় স্ত্রী ৩নং আসামী ফারজানা হক অন্তু, তাহার বড় ভাই ২নং আসামী এনামুল হক রাসেল ও তাহার বড় বোন ৪নং আসামী মেরিন সুলতানাদের কু-পরামর্শে বিভিন্ন সময় বাদীর মেয়ে নুসরাত জাহান শিপাকে বাদীর কাছ থেকে যৌতুক নিয়া গ্রেফতারকৃত আসামীকে দেওয়ার জন্য চাপ দিয়া বাদীর মেয়ের উপর অত্যাচার নির্যাতন করিতে থাকে। গ্রেফতারকৃত আসামী এজাহার নামীয় অন্যান্য আসামীদের কু-পরামর্শে ও সহায়তায় ইং ২৫/১১/২০২৫খ্রিঃ তারিখ রাত অনুমান ১০:৩০ ঘটিকার সময় গ্রেফতারকৃত আসামীর বসত ঘরের ভিতরে বাদীর মেয়ে নুসরাত জাহান শিপাকে বাদীর কাছ থেকে যৌতুক বাবদ নগদ ১০,০০,০০০/- (দশ লক্ষ) টাকা নিয়া শীঘ্রই তাহাকে দিতে বলিলে বাদীল মেয়ে নুসরাত এই মুহুর্তে বাদীর নিকট যৌতুকের টাকা দিতে অস্বীকার করায় গ্রেফতারকৃত আসামী মাহমুদুল হাসান ওরফে রাকিব বাদীর মেয়ের উপর ক্ষিপ্ত হইয়া এজাহার নামীয় অন্যান্য আসামীদের প্রত্যক্ষ সহায়তায় ঘর থেকে ধারালো দা হাতে নিয়া বাদীর মেয়ে নুসরাতকে হত্যা করার উদ্দেশ্য এলোপাথারীভাবে কোপাইয়া দাওয়ের ঘাড়া দিয়া আঘাত করিয়া তাহার বাম পায়ের হাটুর নীচে কাটা রক্তাক্ত মারাত্মক জখম করে এবং ডান হাতের কবজি সংলগ্ন স্থানে গুরুতর হার ভাঙ্গা জখম করে। বাদীর মেয়েকে গ্রেফতারকৃত আসামী মাহমুদুল হাসান ওরফে রাকিব এজাহার নামীয় অন্যান্য আসামীদের প্রত্যক্ষ সহায়তায় বাদীর মেয়েকে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়া ভর্তি করে। পরবর্তীতে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত ডাক্তার বাদীর মেয়ের শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখিয়া তাহাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। বাদীর মেয়ে ঘটনার তারিখ হতে (প্রায় ১ মাস ধরে) অদ্যবদি পর্যন্ত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। প্রাথমিক তদন্তে বাদীর মেয়েকে যৌতুকের জন্য গুরুতর কাটা রক্তাক্ত জখম করে ও হার ভাঙ্গা জখম করে মর্মে সাক্ষ্য প্রমান পাওয়া যাইতেছে। মামলাটি তদন্ত অব্যাহত আছে। তদন্ত সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত ধৃত আসামীকে জেল হাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন।মামলার সুষ্ঠ তদন্তের স্বার্থে তদন্ত সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত গ্রেফতারকৃত আসামীকে জেল হাজতে আটক রাখিতে অনুরোধ করেন।
এলাকায় কথা বলে জানা যায় আসামি পরিবারের লোকজন অতন্ত খারাপ প্রকৃতির লোক। তারা অনেকদিন ধরেই ভিকটিমকে অন্যায়ভাবে অত্যাচার করে আসছে। ঘরের বউকে সবাই মিলে এমন ভাবে মারতে পারে এর আগে কেও দেখেননি বলেও জানান। ১ নং আসামি রাকিব সন্ত্রাস প্রকৃতির লোক বলে কেও বেশী কথা বলতে বা পরিচয় দিতে চায়নি নিরাপত্তার ভয়ে।
এলাকাবাসী এই নিকৃষ্ট ঘটনার বিচার চেয়েছেন। আসামীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করছেন।
