মোঃআল ইমরান
গত ২৪ ঘণ্টায় নেত্রকোনার জেলার সদর থানা সহ দুর্গাপুর,পূর্বধলা সহ তিন থানায় দুটি খুন সহ পাঁচটি গরু চুরি হয়।
গতকাল সন্ধ্যায় দুর্গাপুরে এস আই শফিকুল ইসলামকে দুর্বত্তরা দেশীয় অস্ত্র দারা কুপিয়ে আহত করে,পরে তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে,দুর্গাপুরের ওসি মোঃ বাচ্চু মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
এস আই শফিকুল ইসলাম জামাল পুর পুলিশ লাইনে উপ পরিদর্শক হিসাবে কর্মরত ছিল।
একই সাথে গতকালকে নেত্রকোনা সদরের বাসিন্দা আবু আব্বাস কলেজের সাবেক প্রভাষক দিলীপ কুমার রায়কে নিজ ঘরে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে দুর্বত্ত ফেলে রেখে যায়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন নেত্রকোনা সদর মডেল থানার ওসি কাজী শাহ নেওয়াজ।
আবার বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে উপজেলার খলিশাউড় ইউনিয়নের পাজুনিয়া গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী শরিফ আহমেদ এর বাড়িতে এই চুরির ঘটনা ঘটে। চোরেরা তাঁর গোয়াল ঘরের শিকল কেটে তিনটি ষাড় গরু ও দুটি গাভী গরু নিয়ে যায়।
মালিকের ছোট ভাই শিমুল আহমেদ জানান, প্রতিদিনের মতো রাতে গোয়ালে থাকা ৭টি গরু বেঁধে দরজায় তালা দিয়ে ঘুমাতে যান। শুক্রবার ভোরে ঘুম থেকে উঠে দেখতে পান গোয়াল ঘরের শিকল কাটা। পরে ঘোয়ালে প্রবেশ করে দেখেন ২টি গরু বাঁধা বাকি ৫টি গরু নেই। গরু চুরির বিষয়টি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এবং এস আই সানোয়ার সহ ঘটনা স্হল পরিদর্শন করে গেছে। চুরি যাওয়া ৫টি গরুর আনুমানিক বাজার মূল্য ৪ লাখ দশ হাজার টাকা হবে বলে জানান।
এবিষয়ে স্থানীয়দের ধারনা চোরেরা গরুগুলি চুরি করে রাস্তার উপরে গাড়ী রেখে উঠিয়ে নিয়ে যায়। উপজেলায় বর্তমানে গরু চুরির উপদ্রব বেড়েই চলছে। সপ্তাহ খানেক আগে পাবই গ্রাম থেকে ছয়টি গরু চুরি হয়। এছাড়াও চার পাঁচ দিন পূর্বে চোরের পিটুনিতে কলমাকান্দায় চার জন আহত হয়।
পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রিয়াদ মাহমুদ জানান,গরু চুরির বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে গেছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নেত্রকোনা জেলায় দিন দিন হত্যা, চুরি, ভারতীয় অবৈধ চিনি,মসলা,বিক্রির কার্যক্রম বেড়েই চলছে।
স্হানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়
প্রশাসনের নীরব ভূমিকা পালন ও সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন না করার জন্যই এসব অপরাধ বেড়ে চলছে।
নেত্রকোনা জেলার জেলা প্রশাসক বনানী বিশ্বাস ও পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদের সাথে একাধিকবার ফোনে আইন শৃঙ্খলতার অবনতি রোধে তাদের করণীয় সম্পর্কে যোগাযোগ করার চেষ্ঠা করা হলে তারা ফোন রিসিব করে নাই।
