নিজস্ব প্রতিবেদক
গ্রামীনফোন সিইও ইয়াসির আজমান বিগত বছরগুলোতে ক্ষমতার অপব্যহার ও টাকার অপপ্রয়োগে (বিশেষ করে ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস ও সাবেক মন্ত্রী আব্দুল জব্বার কে সামনে রেখে) বাংলাদেশের শ্রম আইন অমান্য, টেলিযোগাযোগ আইন অমান্য, উচ্চ আদালতের রায় অমান্য, এমনকি মহামান্য আপিল বিভাগের রায় অমান্য করেছে।
মিথ্যা মামলা দিয়ে ট্রেড ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ এবং স্থায়ী কর্মীদের হয়রানি করা সহ অনেক অপরাধে অপরাধী মিঃ আজমান কিন্তু বিগত সরকারের মদদপুষ্ট হয়ে গ্রামীণফোনে একনায়কতন্ত্র কায়েম করেছে এবং কোন কিছুই ছুঁতে পারেনি তাকে।
আমরা ভুক্তভোগীরা দাবি করছি, তদন্ত সাপেক্ষে মিঃ ইয়াসির আজমানকে আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা করা হোক।
গ্রামীনফোন সিইও ইয়াসির আজমান ১৪০০ এর অধিক দক্ষ ও অভিজ্ঞ স্থায়ী কর্মীকে ছাঁটাই করেছে করুণাকালীন অবস্থায় বিনা নোটিশে যখন বাংলাদেশের লকডাউন চলাকালীন ঠিক ওই সময়টাতে আমাদেরকে বেতন ভাতা বন্ধ করে দেয়
জোরপূর্বক অবসর, নানান ভয় ভীতি দেখিয়ে অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। কোম্পানির অভ্যন্তরে ও বাহিরে অনেক প্রতিবাদ বা আন্দোলন করা সত্ত্বেও সবসময় রয়ে গেছেন ধরা ছোঁয়ার বাইরে। এসব অবৈধ কর্মসাধন করে কোম্পানি থেকে সর্বোচ্চ পরিমাণ হাতিয়ে নিয়েছে এবং এই টাকা USA সহ বিভিন্ন দেশে পাচার করেছে। এই মামলাবাজ এবং অবৈধভাবে গ্রামীণফোনের শ্রমিকের টাকা আত্মসাৎ কারীর ইয়াছিরা আজমানকে আইনের আওতায় আনা হোক বর্তমান সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
ভুক্তভোগী শ্রমিকের দাবি, অবৈধভাবে ছাঁটাইকৃতদের স্ব পদে বহাল করে দ্রুত বেতন-ভাতা চালু করা হোক।
