সামদানি হোসেন বাপ্পি

১০ মে ২১.৩০ ঘটিকায় র‍্যাব -১৪, সিপিসি-১, জামালপুর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, কুড়িগ্রাম জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল পাচার করে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে মোটর সাইকেল যোগে টাঙ্গাইলে নিয়ে যাওয়ার জন্য ০২ জন মাদক চোরাকারবারী জামালপুর জেলার সদর থানাধীন জামালপুর টু শেরপুরগামী ব্রহ্মপুত্র নদীর দক্ষিণ পাশে টোল প্লাজার উপর দিয়ে আসিতেছে। উক্ত সংবাদ প্রাপ্তির পর র‍্যাব-১৪, সিপিসি-১, জামালপুর ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার মেজর মোঃ আব্দুর রাজ্জাক এর নেতৃত্বে র‍্যাবের একটি চৌকস আভিযানিক দল জামালপুর জেলার সদর থানাধীন জামালপুর টু শেরপুরগামী ব্রহ্মপুত্র নদীর দক্ষিণ পাশে টোল প্লাজার সামনে চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশী পরিচালনা করে। এ সময় একটি মোটর সাইকেলের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হইলে চেকপোষ্টের সামনে সংকেত দিয়ে থামানো হয়। এ সময় মোটরসাইকেলে থাকা ০২ জন মাদক পাচারকারী ১। মোঃ জিয়াউল ইসলাম(২৮), পিতা-মোঃ মোয়াজ্জেম আলী, মাতা-রমিজা বেগম, সাং- পশ্চিম বেছগ্রাম, এবং ২। মোঃ মোহাব্বত আলী (২০), পিতা-আব্দুল মালেক, মাতা-মোছাঃ রাহেলা বেগম, সাং- দক্ষিণ বাড়াইপাড়া, উভয় থানা- হাতিবান্ধা, জেলা-লালমনিরহাটদ্বয়কে আটক করে। তাদের দেখানো মতে মোটরসাইকেলের ট্যাংকির ভিতর মডিফাই করে রাখা অভিনব কায়দায় ৮০ বোতল এবং মোটরসাইকেলের সীট কভারের নিচ থেকে ৩৫ বোতল, মোট ১১৫ বোতল ফেন্সিডিল, ০২ টি মোবাইল সেট (সীমসহ), নগদ-১৫৩৫/- (এক হাজার পাঁচশত পঁয়ত্রিশ) টাকা উদ্ধার করতঃ জব্দ করা হয়। জব্দকৃত ফেন্সিডিলের আনুমানিক মূল্য = ১,১৫,০০০/- (এক লক্ষ পনেরো হাজার) টাকা।
ধৃত আসামীদ্বয়কে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, তারা কুড়িগ্রাম জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ দেশের বিভিন্ন স্থানে ফেন্সিডিল ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল। তারা মাদক ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে প্রতিনিয়ত অভিনব কৌশল অবলম্বন করতো। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র‍্যাবের এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
উক্ত বিষয়ে আটককৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে জামালপুর জেলার সদর থানায় মামলা দায়ের করে হস্থান্তর করা হয়েছে।

By news

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *