হোসেন
ক্রাইম রিপোর্টার
মোটরসাইকেল নিয়ে সব সময় আড্ডা দেয় লোহাচরা ব্রিজ মজিদের চায়ের দোকানের সামনে, এদের কাছে ছোট বড় সম্মান নাই বললে চলে। ইয়াবা গাঁজা এ সমাজকে তোয়াক্কা না করে বাধের উপর স্বাধীনভাবে নেশা করে ।প্রশাসন যদি খেয়াল রাখতো তাহলে সমাজ হয়তো কিছুটা রক্ষা পেত।
অভিভাবকদের অসচেতনতার কারণে এদের সংখ্যা গরিষ্ঠতা বেড়েই চলছে। এদের বেপরোয়া গাড়ি চালানো মৃত্যুর একটি কারণ। সচেতনতার পাশাপাশি সমাজের কিছু বড় ভাই আছে যারা এদের অন্যায়ের পক্ষে আশ্রয় দেয় তাদের আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।
বর্তমান সমাজে কিশোর গ্যাং তাদের ভয়ংকর কার্যকলাপ, দূরদর্শিতা এবং অসামাজিক কার্যকলাপ সবাইকে নতুন করে ভাবিয়ে তুলেছে। কিশোর গ্যাং লিডারমোঃ ছাইদার মিয়া ছেলে মোঃ হালিম মোঃ রকুল মিয়া ছেলে মোঃ রনি মিয়া
মজনু মিয়া, মোঃ বাপ্পী, পিতা মোঃ মজিবর রহমান, মোঃ মিম মিয়া, পিতা মোঃ খলিল মিয়া, মোঃ শিহাব, পিতা মোঃ কলিম মিয়া, মোঃ রুজু মিয়া,মোঃ কালন মিয়া, পিতা মোঃ রমজান মিয়া, শ্রী উজ্জ্বল চন্দ্র, শ্রী সাধন, চন্দ্র রায।
ইদানিং প্রতিটি শহর, গ্রাম এবং মহল্লায় ব্যাংঙের ছাতার মতো গড়ে ওঠেছে কিশোর গ্যাং এর দল সমন্বয়ে গঠিত সংঘবদ্ধ দলকে, যারা সংগঠিত হয়ে সমাজে বিভিন্ন ধরনের অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়ছে।
প্রথমে ছোট ছোট অপরাধ থেকে শুরু করে এক সময় তারা বড় বড় অপরাধের সাথে নিজেদেরকে জড়িয়ে ফেলছে। ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও তারা এর থেকে বের হয়ে আসতে পারছেনা। এর মূল সমস্যা হচ্ছে মাদক যা আমাদের সমাজের নষ্ট হওয়ার মূল হাতিয়ার।
ইয়াবা গাজা আইস ও টেন্ডি নামের যেসব মাদক
এলাকার বা মহল্লার কিছু অসাধু বড় ভাই তাদের ব্যবহার করে সামাজিক এবং রাজনৈতিক ফয়দা নেওয়ার চেষ্টা করছে। মূলত এসব বড় ভাইদের আশ্রয় প্রশ্রয়ে থেকেই তারা দিন দিন বেপরোয়া হয়ে ওঠেছে এবং অপরাধ জগতের সাথে জড়িয়ে পরছে। একটি ফোন কলেই শতশত বন্ধুরা মুহূর্তেই একত্রিত হয়ে তান্ডব চালাতে কোনো দ্বিধাবোধ করেনা। এলাকার যেকোনো মারামারি এবং অপরাধমূলক কর্মকান্ডে সবার আগে তারা থাকে।
এই কিশোর গ্যাং এর সদস্যরা একটা সময় নিজেদেরকে ডন ভাবতে থাকে, তখন তাদের কাছে পরিবার এবং সমাজের লোকজন কিছুই না, শুরু হয় বড়দের সাথে বেয়াদবি, ছোটদের প্রতি অনধিকার চর্চা, পরিবার এবং সমাজের শাসন বারণ কোনো তোয়াক্কা করেনা তারা।
বন্ধুদের পাল্লায় পরে ভালো মন্দ বিবেচনা না করে জড়িয়ে পরছে অসামাজিক কার্যক্রলাপ এবং অপরাধের সাথে।
সমাজের বড়রাও তাদের শাসন করতে ভয় পায় যদি অপ্রীতিকর কিছু করে বসে। মান সম্মানের ভয়ে তাদেরকে সবাই শাসন করতে ভয় পায়, পাশ কাটিয়ে চলে যায়।
একটি নেশাগ্রস্ত সন্তানই তার পরিবারকে ধ্বংসের জন্যে যথেষ্ট।
উঠতি বয়সের ছেলে মেয়েরা বিভিন্ন ছবি এবং নাটক দেখে ফাকি দেওয়ার কৌশল শিখে নিয়েছে সহজে।
তারা দিন দিন মোবাইল, ইন্টারনেট, গেমসের প্রতি আসক্ত হয়ে পরছে। সুযোগ পেলেই এর অসৎ ব্যবহার করছে, বিভিন্ন পর্ণ সাইটে ভিজিট করছে। প্রাইভেট এবং স্কুলের কথা বলে বের হয়ে নির্জনে গিয়ে মোবাইলে গেমস খেলছে।
বাসার লোকজন আদোও তা জানতে পারেনা এবং জানার চেষ্টাও করতে চায় না বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে। এ সমাজকে রক্ষা করার দায়িত্ব আপনার আমার এবং আমাদের সকলের।
বিষয়টি
জেলা প্রশাসকের নজরে আনা উচিত।
