লুৎফর রহমান
স্টাফ রিপোর্টার
জয়পুরহাটের কালাইয়ে আলুর জমিতে নকল ঔষধ ব্যবহারে আলুর জমির তরতাজা গাছ ধ্বংস হয়েছে। কালাই উপজেলার মাত্রাই ইউনিয়নের উনিহার গ্রামের মৃত মোহাম্মেদ আলীর ছেলে খোরশেদের ২ একর, মৃত আলেক উদ্দীনের ছেলে খলিলুর রহমানের ১ একর ৪০ শতক মৃত আ: মজিদের ছেলে সাগরের ৬০ শতক এছাড়া ও উদয়পুর ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামের মৃত বাচ্চু মিয়ার ছেলে মজিবুর রহমানের ৭০ শতক, ছফির উদ্দিনের ছেলে শাহজানারের ৮০ শতক, মৃত দাবাজ উদ্দিনের ছেলে দফির উদ্দিনের ১ একর, মৃত আবুল হোসেনের ছেলে স্ত্রী বিধবা তহমিনা ১ একর, মৃত কাবেজ আলীর ছেলে জাহিদুলের ৯০ শতক, মৃত কাছের আলীর ছেলে আ: সাত্তারের ৯০ শতক, বাচ্চু মিয়ার ছেলে ফজলুর ১ একর ২০ শতক মোকলেঝার রহমানের ছেলে মঞ্জুর ৫০ শতক, মৃত নীল মাহমুদের ছেলে আলী আহম্মেদের ৫০ শতক , মৃত আসেজের ছেলে আবেদালীর ৪০ শতক উল্লেখিত আলু চাষীগণ জানান আমরা মের্সাস মন্ডল ট্রেডার্স, প্রো: মো: শাহিনুর রহমানে সার কীটনাশক ঔষধ বীজ খুরো পাইকারী ব্যবসায়ীর কাছে আলুর গাছ মোড়কের ঔষধ কেনতে গেলে বলেন “এলেক্সানিল” ঔষধের কাজ একশত ভাগ গ্যারেন্টি হিসাবে বিক্রি করেন। উক্ত ঔষধ স্প্রে করার পর গাছের যখন মড়ক বেড়ে যাচ্ছে তারপর উক্ত ব্যবসায়ীর কাছে গিয়ে গাছের মোড়কের কথা বল্লে তিনি বলেন উল্লেখিত ঔষধ আবার স্প্রে করতে হবে, তার কথামত আবার আলুর গাছে ওই ঔষদ স্প্রে করার পর তরতাজা না হয়ে সব গাছ মড়কে মরে গেছে। তার পর ব্যবসায়ী শাহিনূর রহমান জানালে তিনি আলুচাষীদের বলেন আমার করার কিছু নেই। এভাবে তিনি চাষীদের কাছ থেকে নকল “এলেক্সানিল” ঔষধ বিক্রি করে টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এ ছাড়া ও চাষীগণ জানান আমরা বিভিন্ন এনজিওর কাছ থকে ঋণের টাকা নিয়ে আলু চাষ করেছি, আমরা অতিব গরীব মানুষ, আমাদের নুন আনতে পান্তা ফুরায়, ঘরে নেই খাবার, সংস্যার চালাবো কি করে আর সন্তানদের পড়া লেখার খরচ আসবে কোথায় থেকে এবং সার, কীটনাশকের দোকোনের বকেয়া ও এনজিও থেকে নেওয়া ঋণের টাকা পরিশোধ করার কোনো উপায় নেই আলুর গাছ মরে শেষ বাড়ীতে আসার সম্ভাবনা মোটেই নেই, আমরা চরমভাবে আর্থিক ক্ষতিগ্রস্থ।

By news

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *