স্থানীয় প্রতিনিধি
অনলাইন পোর্টাল নিউজ টিভি 64 ও সাপ্তাহিক পারাপার এর
ক্রাইম রিপোর্টার হোসেন আলীর পৈত্রিক ভিটা কেরে নেয়ার ও উচ্ছেদের পায়েতারা করছে মোঃশাহীন মিয়া,( ৪০) নামে ওক ব্যাংকার।তার এনআইডি নাম্বার ৫২৩৪২৪৯৯৯১,পিতা মৃতঃরহিম মুন্সি,মাতা মোসাম্মৎ শেফালী বেগম।
গ্রামের বাড়ি মালিবাড়ী ইউনিয়ন ১২ বলদিয়া,বর্তমানে মোহাম্মদ শাহীন মিয়ার ২৮,০০০০০/ টাকা দিয়া থানাপাড়ায় রেডিমেড বাড়ি কেনেন।
পরবর্তীতে সে হোসেন মিয়ার কাছ থেকে ৪ শতক জায়গা কেনেন, এবং ব্যাংক থেকে লোন করে পরবর্তীতে তার বাবার অংশ সাড়ে তিন শতক বিয়ের প্রলোভনে ফেলে মানসিক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে বাবা ও ছেলের সম্পর্ক নষ্ট করে দেয়। সেই জের ধরে ২১ এপ্রিল বর্তমানে যে বাসায় থাকেন সে বাসায় চুরি হয় এবং শাহীন মিয়া ১০ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা চুরির অভিযোগ পত্রে লিখিতভাবে হিসাব দেখান এবং থানায় মামলা করেন ।একজন ব্যাংকের হিসাব রক্ষকের বাড়িতে যদি ১০লক্ষ ৪৫হাজার টাকার মালামাল থাকে তাহলে সে মালামাল কোথা থেকে আসলো বিষয়টি খতিয়ে দেখার বিশেষ প্রয়োজন। সেই মামলার তদন্তে এসে (এস আই জাকারিয়া) গত ২০ ডিসেম্বর রাত আটটায় জেলা পরিষদ ব্রীজের উপরে হোসেন আলীকে লক্ষ্য করে সাক্ষাৎ করে এবংচার্জশিট ভুক্ত করার এক নম্বর আসামি হিসেবে ভয়ভীতি দেখায়, এবং তাহার সঙ্গে বসার জন্য কথা বলে।
এই সূত্র ধরে হোসেন আলীর সঙ্গে নানাভাবে হেনস্থা ও পুলিশ হয়রানি এবং সিসি ক্যামেরা দ্বারা বাড়িতে নজর দাড়িতে রাখেন।
হোসেন আলী এই মর্মে আইজিপি বরাবর এর সুষ্ঠু তদন্তের জন্য আবেদন করেন এবং তিনি আশাবাদী প্রধানমন্ত্রীসহ গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক এর নিকট এর সঠিক তদন্তের মাধ্যমে এই ধরনের আচরণ বিধি লংঘন কারিরা যেন সাধারণ মানুষদের হয়রানি শিকার না হতে হয়।
