২৯ সেপ্টেম্বর রাত অনুমান ০৪.১০ ঘটিকায় টাঙ্গাইল জেলার সদর থানাধীন রাবনা বাইপাস ফ্লাইওভার এর উপরে যমুনা গামী লেনে ভিকটিমের মোটরসাইকেল গতিরোধ করে অজ্ঞাতনামা ০৩ জন দুষ্কৃতিকারীদের হাতে থাকা চাপাতি, চাকু দিয়ে ভিকটিমের হেলমেট এবং পায়ে এলোপাতাড়ি ভাবে কুপিয়ে গুরত্ব জখম ও আহত করে তার নিকট মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে চলে। এই সংক্রান্তে টাঙ্গাইল সদর থানার মামলা নং-০১, তারিখ-০২-১০-২০২৩ খ্রি. ধারা-৩৯৪ পেনাল কোড রুজু হয়।
উক্ত ছিনতাই মামলার ঘটনাটি চাঞ্চল্যকর হওয়ায় টাঙ্গাইল জেলার পুলিশ সুপার এর নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্), টাঙ্গাইল এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে দ্রুত মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামী গ্রেফতার করার জন্য ডিবি, টাঙ্গাইল একটি চৌকস টিম নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে। ছিনতাই এর ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তির অবস্থান সনাক্ত পূর্বক অভিযান পরিচালনা করে ধৃত আসামী ০১। আলামিন (২৬), পিতা-মৃত আঃ জলিল, গ্রাম- থানা পাড়া (বুখারী মসজিদ), থানা- টাঙ্গাইল সদর, জেলা-টাঙ্গাইল কে টাঙ্গাইল জেলার সদর থানাধীন বাসাখানপুর এলাকা হতে ১৪ অক্টোবর বিকাল ১৮.৩০ ঘটিকা গ্রেফতার করা হয়। ধৃত আসামী আলামিন এর দেওয়া তথ্য মোতাবেক উক্ত ছিনতাই এর সাথে জড়িত ধৃত আসামী ০২। মোঃ জাহাঙ্গীর মিয়া (৩০), পিতা-মৃত ফজললু হক, গ্রাম- থানাপাড়া (বুখারি মসজিদ), থানা- টাঙ্গাইল সদর, জেলা- টাঙ্গাইল কে জেলার নাগরপুর থানাধীন পাচতারা (পূর্ব পাড়া) এলাকা হতে ১৪-১০-২০২৩ তারিখ রাত ২১.০০ ঘটিকায় গ্রেফতার করা হয়।
ধৃত আসামী আলামিন (২৬) এর হেফাজত হতে লুন্ঠিত মোটরসাইকেলটি সহ আরও ০১ মোটরসাইকেল সর্বমোট ০২ টি মোটরসাইকেল উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়।
ধৃত আসামীদের কে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোটরসাইকেল ছিনতাই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার বিষয়ে নিজেদের দোষ স্বীকার করে। উপরোক্ত আসামীদেরকে বিচারর্থে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
