নেত্রকোনা প্রতিনিধি
গত ০৪আগস্ট ২০২৪ ইং তারিখে শ্যামগঞ্জে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন এবং একদফার দাবিতে বি এন পি সহ ছাত্রজনতা শ্যামগঞ্জে বাজারে রাজপথে নামলে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা হামলা করে। এলোপাথাড়ি গুলি, ককটেল বিস্ফোরণ,পাথর নিক্ষেপ করতেই থাকে, এক পর্যায়ে ছাত্রী আন্দোলনে নেতৃত্বে থাকা পূর্বধলা উপজেলা বি এন পির যুগ্ম আহ্বায়ক,সাবেক গোহালাকান্দা ইউনিয়নের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান ফকির মো: সায়েদ আল মামুনের কন্যা পাবনা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী ‘নাফিসা তাসলিম সৃষ্টি’ মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয় এবং মস্তিষ্কে রক্ত ক্ষরণ জনিত স্ট্রোক করে।
এমতাবস্থায় হসপিটালে নিয়ে যেতে চাইলে প্রায় এক ঘণ্টা আটকে রাখে ছাত্রলীগ যুবলীগের নেতাকর্মীরা।
পরে স্থানীয় লোকের সহায়তায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে, প্রাথমিক চিকিৎসার পর ডাক্তারবৃন্দ ঢাকা নিউরো সাইন্স হসপিটালে রেফার্ড করেন। ১৮ আগসট ২০২৪ নিউরোসাইন্স হসপিটালে মস্তিষ্কের অপারেশন সম্পন্ন হয়।
একমাস ২৩ দিন হাসপাতালে থাকার
পর ডাক্তারগণ পুরোদমে বাসায় থাকার পরামর্শ দেয়।
গতকাল শনিবার নাফিসা বাসায় পৌঁছালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বি এন পির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও গৌরীপুর উপজেলার ধানের শীর্ষের আগামীর প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসাইন নাফিসার বাসায় গিয়ে তার শারীরিক অবস্হার খোঁজ খবর নেন এবং বলেন,তোমাদের মত মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের জন্য নতুন স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি এবং তোমরাই আমদের গর্ব।
এ সময় ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসাইনের সাথে,গৌরীপুর উপজেলা এবং পূর্বধলা উপজেলার বি এন পি,যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ছাত্রদল ও তার বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্হিত ছিল।
বর্তমানে ডাক্তারের পরামর্শে নাফিসা তাসলিম সৃষ্টি তার নিজ বাসা পূর্বধলা উপজেলা শ্যামগঞ্জ বাজারে অবস্হান করে চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছে। নাফিসার পরিবার তার দ্রুত সুস্হতায় দেশ বাসীসহ সকলের দোয়া চেয়েছেন এবং বলেন অপরাধীদের যেন দ্রুত আইনের আওতায় আনা হয়।
