মোঃ নাসিরউদ্দিন সটাফ রিপোর্টার
শনিবার বিকেলে আয়োজিত এ সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
সমাবেশকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই রাজশাহী মহানগরী ও আশপাশের জেলা-উপজেলা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা মাদ্রাসা মাঠে জড়ো হতে থাকেন। ব্যানার, ফেস্টুন ও বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড হাতে অংশগ্রহণকারীরা সমাবেশস্থলে উপস্থিত হন। মাঠজুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
সমাবেশে প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল গণভোটের রায়ের বাস্তবায়ন, দেশের চলমান জনদুর্ভোগ নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং পদ্মা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করা। বক্তারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে উত্তরাঞ্চলের মানুষ পদ্মার পানির ন্যায্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এর ফলে কৃষি, মৎস্য ও পরিবেশ মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে।
সমাবেশে বক্তব্য দেন ডা. শফিকুর রহমানসহ ১১ দলের শীর্ষ নেতারা। তারা বলেন, দেশের জনগণের মতামত ও অধিকারকে উপেক্ষা করে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত নয়। গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও জনগণের ন্যায্য দাবি প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন তারা।
বক্তারা আরও বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট, বেকারত্ব এবং কৃষকের দুর্ভোগ দিন দিন বেড়েই চলেছে। এসব সমস্যা সমাধানে সরকারকে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা। পাশাপাশি পদ্মা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সমাবেশে নেতারা দাবি করেন, দেশের স্বার্থ রক্ষায় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে শান্তিপূর্ণ গণআন্দোলন গড়ে তোলা হবে। তারা সকল গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল ও সচেতন নাগরিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
সমাবেশ শেষে একটি বিশাল গণমিছিল নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পুরো অনুষ্ঠান ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা লক্ষ্য করা যায়।

By news

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *