মোঃ ইমরুল আহসান
মুজিব উত্তাপে গড়া এক আপোষহীন বীর মুক্তিযোদ্ধা । উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রায় দুই যুগের সফল সাবেক সাধারণ সম্পাদক , ছাত্র লীগের সাবে সাধারণ সম্পাদক , শহীদ স্মৃতি সরকারী মহাবিদ্যালয়ের সাবেক জি এস , সাবেক সফল চেয়ারম্যান – মেয়র মুক্তাগাছা পৌরসভা , সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান উপজেলা পরিষদ মুক্তাগাছা ।
রাজনীতির কালো পাকে প্রবেশ করা , নষ্ট রক্তের মুস্তাকী চেতনায় আবিষ্ঠ এক পরিযায়ী মুছাফির নেতৃত্বের দানবীয় রাক্ষুসে অশোভ সেচ্ছা চারিতা সাদৃশ্য পায়তারায় , সুদীর্ঘ দিন দলের কোন স্তরে সদস্য পদ তার ও পুরখাওয়া নেতা – কর্মীদের কপালে জুটেনি ।
এই ফাঁকে ঐ অশোভ বা অসভ্য নেতৃত্বের পকেট ভারী করতেই চাঁদাবাজি , সন্ত্রাসী কর্মকান্ড , ভূমি দস্যূতা , মাদক কারবারি , হত্যা , লোটপাট , রাহাজানি , আত্মীয় বাজি সহ আরো সকল সমাজ বিরোধী কর্মকাণ্ডে মানুষ যখন অতিষ্ঠ ।
বিষয়টি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সুযোগ্য কণ্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী , দেশরত্ন জননেত্রী “শেখ হাসিনার” নজরে আসে ।
আর তখনই তিনি তার অতি পরিচিত – বিশ্বাসী – পরিক্ষীত মানুষটিকেই বেছে নিলেন , দ্বাদশ জতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের প্রতিনিধি হিসাবে — মুজিব আগুনে পুড়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ হাই আকন্দকে ।
প্রিয় নেত্রীর এই সিদ্ধান্তকে মানুষ দলমত নির্বিশেষে স্বাগত জানিয়ে , নতুন করে আরো একটি স্বাধীনতার স্বাদ পাওয়ার আনন্দে রাজপথ , মেঠোপথ , পাড়া- মহল্লার অলি – গলিতে বিজয় মিছিল করে নেত্রীর এই সিদ্ধান্তকে পূর্ণ মর্যাদায় সন্মানিত কারার প্রত্যয়ে একমত্ পোষন করেন।
