সামদানি হোসেন বাপ্পী
ময়মনসিংহ

ময়মনসিংহ জেলার অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন সালমান রহমান রাসেল। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে তিনি নিষ্ঠা, দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন।

দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি জেলার বিভিন্ন সড়ক, সেতু, কালভার্ট এবং গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ তদারকিতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। শুধু অফিসে বসে নির্দেশনা দেওয়ার মধ্যে নিজেকে সীমাবদ্ধ না রেখে তিনি নিয়মিত মাঠপর্যায়ে গিয়ে প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পরিদর্শন করেন। উন্নয়নকাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে ঠিকাদার, প্রকৌশলী এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

সালমান রহমান রাসেলের নেতৃত্বে ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত। তিনি প্রতিটি কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এবং মানসম্মতভাবে সম্পন্ন করার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন। ফলে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ জনগণও দ্রুত উন্নয়নের সুফল পাচ্ছে।

স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখার বিষয়টিকেও তিনি গুরুত্ব দেন। বিভিন্ন এলাকায় পরিদর্শনের সময় জনগণের মতামত ও সমস্যার কথা শোনেন এবং সেগুলোর বাস্তবসম্মত সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। এ কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যেও তিনি একজন কর্মঠ ও জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন সফল নির্বাহী প্রকৌশলীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো মাঠপর্যায়ে উপস্থিত থেকে কাজের বাস্তব চিত্র পর্যবেক্ষণ করা এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা। সালমান রহমান রাসেল এই গুণাবলির সফল প্রতিফলন ঘটিয়ে চলেছেন। তার নেতৃত্বে ময়মনসিংহের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল ও কার্যকর হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, উন্নয়ন প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তিনি নিয়মিত মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করেন। যেকোনো অনিয়মের ব্যাপারে তিনি কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেন এবং কাজের মান বজায় রাখতে সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেন।

ময়মনসিংহের সার্বিক উন্নয়নে তার আন্তরিক প্রচেষ্টা, দক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং মাঠমুখী নেতৃত্ব প্রশংসিত হচ্ছে বিভিন্ন মহলে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। জেলার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তার অবদান ভবিষ্যতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

By news

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *