এস এম মনির
বরিশাল জেলার হিজলা উপজেলার হিজলা গৌরবদী ইউনিয়নের মান্দ্রা তর কুশরিয়া গ্রামে হোসেন রাড়ীর বসত ঘরে আগুন লেগে ইলেকট্রিক পাখা ও বিছানাপত্র আগুনে পুড়ে যায়। সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের কাছে জানা যায় ৯ জানুয়ারি আনুমানিক সন্ধা সোয়া ৭ টার দিতে ঘরে ভিতর আগুন দেখতে পায় স্থানীয়রা, ডাক চিৎকার দিলে অনেক লোকজন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে ঘরের টিন খুলতে গিয়ে বিল্লাল হোসেন নামে একজনের হাত কেটে যায়। বিল্লাল হোসেন জানায় সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে আমরা রাস্তায় ছিলাম হঠাৎ দেখি ঘরের ভিতর আগুন আমরা অনেক লোকজন ডাক চিৎকার দিয়ে ঘরে বেড়ার টিন খুলে ঘরে ঢুকে গ্যাস সিলিন্ডার সরিয়ে পানি দিয়ে আগুন নেভানো হয়েছে। যখন আগুন দেখছি তখন ঘরের ভিতরে কোন লোকজন ছিলনা, দুইটা দরজাই তালাবদ্ধ ছিল। আমরা তাহাতে দরজার বেড়ার টিন খুলে আগুন নিভিয়ে ফালাই । কিভাবে আগুন লেগেছে এমন প্রশ্নের জবাবে জানায় যেখান দিয়ে আগুন লেগেছে সেখানে একটি কারেন্টের লাইট ছিল। এছাড়াও কারেন্টের তারের মাঝে মাঝে পুড়ে গেছে। কিভাবে লেগেছে আমরা কিছুই জানি না। তিনি আরো জানায় এই ঘরে ইউছুফ মিয়া ভাড়া থাকতো। ইউছুফ মিয়া জানায় আমি চরে ছিলাম আমার কাছে রাত্রে ফোন দিয়া জানায়, আমার ঘরে আগুন লাগছে। তারপর আমি তাড়াতাড়ি করে এসেছি। এসে দেখি আগুন নিভাইছে। আমার জানামতে আমার কোন শত্রু নাই। অনেকদিন আগে মনির ব্যাপারীর শ্যালোক বিল্লাল কে আমি মারধর করেছিলাম,সেই জন্য মনির ব্যাপারীর কাছে বিচার দিয়েছিল, তখন আমাকে বলে এর পূর্বে তুই তোর রগ কেটেছে বলে অপবাদ দিয়েছিলে,ইউসুফ বলে আমার কেউ রগ কাটে নাই। কিন্তু কিছু মানুষ আমার রগ
কাটছে এই বলে প্রচার করছিল।
হিজলা থানার এস আই নুরআমিন জানায় ঘটনার সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথেই আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যায় বিদ্যুৎ থেকে আগুন লাগতে পারে। তারপরও আমাদের তদন্ত চলছে, যদি কোন রহস্য লুকিয়ে থাকে তা অবশ্যই বেরিয়ে আসবে।
