মোরশেদ মিয়া
গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার ট্যাংরাকান্দির চরে মোস্তফা নামের এক যুবক বিষধর সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, সাপের কামড়ের পর তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার পরিবর্তে স্থানীয় এক ওঝার মাধ্যমে ঝাড়ফুঁক করানো হচ্ছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, যথাসময়ে চিকিৎসা না পাওয়ায় আক্রান্তের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে পারে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাপের কামড়ের ক্ষেত্রে ওঝা বা ঝাড়ফুঁকের কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। এতে মূল্যবান সময় নষ্ট হয় এবং রোগীর জীবন মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। সাপের কামড়ের পর আক্রান্ত ব্যক্তিকে শান্ত রেখে যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যান্টিভেনমসহ চিকিৎসা গ্রহণই একমাত্র কার্যকর ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল সাপের কামড়ের ঘটনায় কুসংস্কার ও ঝাড়ফুঁকের ওপর নির্ভর না করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
দ্রষ্টব্য: ঘটনাটি প্রকাশের আগে আক্রান্ত ব্যক্তির বর্তমান অবস্থা এবং তিনি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছেন কি না—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পরিবার বা স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ করে তথ্য যাচাই করা উত্তম।
