মোঃ আল ইমরান
নেত্রকোনা
নেত্রকোনা পূর্বধলার ১১ নং গোহালাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন ফজল সহ অত্র পরিষদের সকল জন প্রতিনিধি এবং গ্রাম পুলিশদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এ টি এম কামরুল ইসলাম তালুকদার যুগ্ন সচিব বাংলাদেশ সরকার।
অদ্য ২৯ জুন শনিবার ২০২৪ ইং সকাল১১:৩০ ঘটিকায় কামরুল
ইসলাম তালুকদার ১১ নং গোহালাকান্দা পরিষদে আসলে
তাকে ফুলের ত্বোরা ও ক্রেস্ট দিয়ে সাদরে গ্রহন করা হয়।
চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে পরিষদের সদস্যরা তাকে অভ্যর্থনা জানায়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন পূর্বধলা উপজেলা কৃষক লীগের সাধারন সম্পাদক মো:শহীদ সরকার, যুবলীগ নেতা মো:সোহরাব হোসাই,শ্যামগঞ্জ প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ আল ইমরান,শাহজাহান চৌধুরী,১১ নং গোহালাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সচিব মোঃ হাসিন ইসরাক, উদ্যোক্তা মোঃ সাদ্দাম হোসেন। মহিলা ইউপি সদস্য মোছাঃ হাসিনা বেগম হাসি,মোছাঃ পারুল বেগম, শরীফা আক্তার এবং ইউপি সদস্য ইসতিয়াক আহম্মদ সুমন,মোঃ উজ্জ্বল মিয়া,মোঃ মোজাম্মেল মিয়া,বিপ্লব চন্দ্র ধর,আওয়াল, মোঃ শামীম মিয়া,মোঃ কামাল উদ্দিন তালুকদার,মোঃ জামাল মিয়া,মোঃ আব্দুল আলীম সহ প্রমুখ।
যুগ্ম সচিব কামরুল ইসলাম তালুকদার স্মৃতিচারণ করে বলেন,
চেয়ারম্যান আনোয়ার আমার হাই স্কুলের সহ পাঠী ও বন্ধু।আমরা এক সাথে লেখাপড়া ও খেলা করেছি যা ভুলার মত না।
আনোয়ার হোসেনের বাবা আমার
পিতৃতুল্য শ্রদ্ধেয় বড় ভাই মরহুম বীরমুক্তিযোদ্ধা মো: আবদুল জব্বার খুবই ভাল মানুষ ও ১১ নং গোহালাকান্দা পরিষদের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান ছিলেন,আজকে হয়ত নতুন প্রজন্মের অনেকে তার না জানে না। তিনি ১৯৭৯থেকে ১৯৮৪ পর্যন্ত গোহালাকান্দা পরিষদের দায়িত্বে ছিলেন,তিনি শ্যামগঞ্জ কলেজের বর্তমানে যা হাফেজ জিয়াউর রহমান ডিগ্রী কলেজ নামে পরিচিত,শ্যামগঞ্জ কৃষিব্যাংক,গোহালাকান্দা ইউনিয়ম স্বাস্হ্য কমপ্লেক্স ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের উদ্যোগক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন।
কামরুল ইসলাম বলেন,আনোয়ার হোসেনের বাবা মসজিদ মাদ্রাসা সহ অসংখ্য রাস্তা ঘাট নির্মান করেন।
শ্যামগঞ্জ থেকে কাজলা,শ্যামগঞ্জ থেকে
কান্দুলিয়া রাস্তা গুলো তিনিই নির্মান করেন।
কামরুল ইসলাম আরো বলেন,আমিও আমার বাবা ও মায়ের নামে দুটি প্রতিষ্ঠান গোহালাকান্দা ও শ্যামগঞ্জ বাসীর জন্য শ্যামগঞ্জ বাজারে কুমুদগঞ্জ জামে মসজিদের সামনে গড়ে তুলেছি।একটি হলো তাহের উদ্দীন তালুকদার ফাউন্ডেশন আর অপরটি সাদেকা আক্তার রেনু পাবলিক লাইব্রেরী।আশা করি দুটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গোহালাকান্দা ও শ্যামগঞ্জ বাসী উপকৃত হবে।
