মোঃ মিঠু মিয়া
গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধা পলাশবাড়ী পৌরসভার হরিণমাড়ী ও জামালপুর অংশের অধিগ্রহণকৃত জমির নায্য মূল‍্যের দাবিতে উপজেলা টাউন হলের সামনে মানববন্ধন করেন ভুক্তভোগী জমির মালিকেরা।

বুধবার (৯ আগষ্ট )সকালে পলাশবাড়ী পৌরসভার জামালপুর ও হরিণমাড়ী অংশের জমির দাম সরকারিভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ৩৩ হাজার টাকা শতক হিসেবে। হরিণমাড়ী আবাসিক ৪ লাখ ৮২ হাজার এবং বানিজ‍্যিক ৩৩ হাজার শতক। এই টাকা তিনগুন ধরে সরকার ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৯৯ হাজার টাকা শতাংশ হিসেবে ৮ ধারা নোটিশ প্রদান করেন জেলা প্রশাসন থেকে। এদিকে এসব জমির বতর্মান বাজার মূল্য ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা শতক হাইওয়ে মহাসড়কের উপর। পাশাপাশি রাস্তার অপরপার্শ্বে নুনিয়াগাড়ী মৌজায় সরকারি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে আবাসিক ২ লাখ ৪৯ হাজার টাকা আর বানিজ‍্যিক ২ লাখ টাকা। জামালপুর আবাসিক ১ লাখ ৭৪ হাজার আর বানিজ‍্যিক ১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা। বৈরীহরিণমাড়ী আবাসিক ৩৪ হাজার আর বানিজ‍্যিক ১ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং গূরিধারীপুর আবাসিক ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা আর বানিজ‍্যিক ২ লাখ ৪ হাজার টাকা। এই টাকা তিনগুন ধরে প্রতি শতাংশ জমির ক্ষতিপূরণের নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। যাহা অনৈতিক দাবী করে মানববন্ধনের আয়োজন করে ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকেরা। এব‍্যাপারে জেলা প্রশাসক পলাশবাড়ী টাউন হলরুমে আশ্রায়ণ প্রকল্পের ঘর প্রদান অনুষ্ঠানে আসলে ক্ষতিগ্রস্ত জায়গা মালিকেরা বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবগত করেন। এসময় জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রসুল ভুক্তভোগীদের জানান,এ বিষয়ে আপনারা ম্মারকলিপি প্রদান করেন। বিষয়টি আমি আন্তরিকতার সহিত দেখব। এদিকে হরিণমাড়ী মৌজার ৩৫ নং দাগ ও এর আশেপাশের দাগসমূহের উপর প্রায় ৫০ থেকে ৬০ টি দোকানের নাম ৭ ও ৮ ধারা নোটিশে আন্তঃভূক্ত না হওয়ায় তারাও মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। এব‍্যাপারে ভুক্তভোগীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

By news

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *