নিজস্ব প্রতিনিধি
নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের ভরাপাড়া গ্রামে ৩ বছর পূর্বে একটি রহস্যজনক চুরির ঘটনায় কেন্দুয়া থানায় মামলা হয়। মামলা নং ২১/২৬৫ (১৫/০৭/২২)। ঐ মামলায় কথিত আসামী করা হয় ভরাপাড়া গ্রামের সেকান্দর আলী, আমীর সোহেল ও আল মামুনকে। মামলায় বাদী হয় তালুকদার বাড়ির কেয়ারটেকার গগডী গ্রামের আব্দুল কুদ্দুস। থানা, ডিবি, পিবিআই দীর্ঘ ৩ বছর পর চুড়ান্ত প্রতিবেদনের আদালতে পাঠায়। নেত্রকোণা আদালত সঠিক রায় দেয়। ফলে গত ২/১২/২৪ ইং তারিখ কথিত আসামীদের ঐ রহস্যজনক চুরির মামলা থেকে অব্যহতি পায়।
এরপর অব্যহতি পাওয়া আসামীরা প্রকৃত চুরির সাথে কারা জড়িত বা আদও চুরির ঘটনা ঘটেছিল কিনা নাকি বাদী কুদ্দুস নিজেই ঘটনাটি সাজিয়েছে এমন প্রশ্ন রেখে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেন। মামলা থেকে আসামীরা খালাস পাওয়ায় এবং সংবাদ সম্মেলন করায় বাদী কুদ্দুস ও তার ইন্ধনদাতারা নাখোশ সদ্য খালাস পাওয়া আসামীদের উপর। শুরু হয় নানা ষড়যন্ত্র।
এরই ধারাবাহিকতায় ২৬/১২/২৪ ইং দুপুর ১ ঘটিকায় পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে সেকান্দরের বাড়িতে হামলার উদ্দেশ্যে ১৫ জনের একটি কিশোর গ্যাং দল তালুকদার বাড়ি সামনে এসে অবস্থান নেয়। পুরো গ্যাংটি নিয়ন্ত্রণ করে বাদী কুদ্দুুসের দুই ছেলে ইয়াসিন ও তোয়াসিন। কিশোর গ্যাং এর অনেকের হাতে ছিলো দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঠা। বাদী কুদ্দুসের গ্রাম ও সেকান্দরের গ্রামের মানুষের মধ্যে বড় ধরণের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হওয়ার আশংকা করছে স্থানীয় জনগণ সদ্য মিথ্যা চুরির মামলা থেকে অব্যহতি পাওয়া সেকান্দর ও তার পরিবার। এ ব্যপারে স্থানীয় সচেতন জনগণ যে কোন দুর্ঘটনা এড়াতে পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তা ও সেনাবাহিনীর সুদৃষ্টি কামনা করছে 
