রেজাউল ইসলাম
পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার টেপ্রীগঞ্জ ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের বেলুয়াডাঙ্গা গ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় ৫ থেকে ৬ বছর আগে নদী ভরাট হয়ে যাওয়ার পর বন্যা ও ভারী বৃষ্টির পানির চাপে সেতুর এক পাশ হেলে পড়ে। এরপর থেকে ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন চলাচল করছেন হাজারো মানুষ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টেপ্রীগঞ্জ বাজার থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত এই সেতুটি টেপ্রীগঞ্জ ইউনিয়ন ও শালডাঙ্গা ইউনিয়নের মানুষের প্রধান যোগাযোগের মাধ্যম। দুই ইউনিয়নের মাঝামাঝি অবস্থানে হওয়ায় প্রতিদিন শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবীসহ বিপুলসংখ্যক মানুষ এই সেতু ব্যবহার করেন। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিদিন প্রায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার মানুষ এ সড়ক ও সেতু দিয়ে যাতায়াত করেন।
ওই এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিষয়টি নিয়ে তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম চেয়ারম্যানের কাছে একাধিকবার আবেদন করা হলেও তিনি শুধু আশ্বাস দিয়েছেন, কিন্তু কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে বছরের পর বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থাতেই পড়ে রয়েছে সেতুটি।
স্থানীয়রা জানান, বর্ষা মৌসুমে সেতুর অবস্থা আরও নাজুক হয়ে পড়ে। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন। দ্রুত সেতুটি সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণ করা না হলে দুই ইউনিয়নের মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে। এ বিষয়ে এলাকাবাসী পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি (পঞ্চগড় ২) মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান স্থানীয়রা। তাদের প্রত্যাশা, জনসাধারণের দুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত সেতুটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার আশায় এলাকাবাসীর।
