নিজস্ব প্রতিবেদক
সহকারী কমিশনার ভূমি,ভালুকা অফিসে কর্মরত জারীকারক মোঃ শামছুল হক মুক্তাগাছা সি.আর আমলী আদালতের ৪৬১/২৪ নং মামলা এবং দ্রুত বিচার আদালতের মুক্তাগাছা থানার ০৯(০৬)২৪ নং মামলায় উক্ত কর্মচারী বর্তমানে জেল হাজতে আছে।স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে,মামলার বাদী রফিকুল ইসলাম,পিতামৃত-ইব্রাহিম মন্ডল,গ্রাম-কুমারগাতা,থানা-মুক্তাগাছা। বাদীর পিতা জীবিত থাকাবস্থায় তাকে মৃত দেখিয়ে ভূয়া জাল বণ্টননামা দলিল সৃজন করে নেয় তার ভাই ভালুকা ভূমি অফিসে কর্মরত জারিকারক শামছুল হক এবং ঐ জাল দলিল ব্যবহার করে নিজ নামে অনলাইন জমা খারিজ করে নেয়।
পরবর্তীতে সঠিক বন্টননামা দলিল হলেও মামলার বাদী রফিকুল ইসলামকে দখল বুঝিয়ে দেয়নি। নিজ দখলেই রেখে দিয়ে তার প্রভাব বিস্তার করছে।
আরও জানা যায়, রফিকুল ইসলাম নিজের জমি দখল বুঝে পেতে ভূমি অপরাধ আইনে শামছুল হকের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার নোটিশ পাওয়ার পর আসামী শামছুল হক ও তার বাহিনী রফিকুল ইসলামের বসত বাড়ীঘর ভাংচুর করে কয়েক লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করেন। যার ফলশ্রুতিতে আদালতে দ্রুত বিচার আইনে আরো একটি মামলা হয়। দুটি মামলাতেই ভালুকা ভূমি অফিসের কর্মচারী জারীকারক শামছুল হক বিগত ২০/০৮/২৪ তারিখ হতে বর্তমানে জেল হাজতে আছে।
নিয়ম অনুযায়ী সরকারি চাকুরিরত কোনো কর্মকর্তা/কর্মচারী জেল হাজতে থাকলে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।কিন্তু কোন এক অদৃশ্য কারণে শামসুল হক ২০ আগস্ট থেকে জেলহাজতে থাকার পরেও এবং এই তথ্য জানার পরেও তার চাকরি বহাল রয়েছে এখনো পর্যন্ত তাকে বরখাস্ত করা হয়নি।মামলার বাদী অনতিবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক শামসুল হক কে চাকরি থেকে যেন বরখাস্ত করা হয় এই দাবি জানিয়েছেন।
