সাগর সরকার (জয়)
খালিয়াজুরী
৯০ এর স্বৈরচার গণ আন্দোলনের রাজ পথ কাপাঁনো লড়াকু সৈনিক ছাত্র নেতার জন্ম দিনের শুভেচ্ছায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে।শফি আহমেদ ১৯৬১ সালের ৮ অক্টোবর নেত্রকোণার মুক্তার পাড়ার আজিজ ভাবনে জন্ম গ্রহণ করেন। তারঁ বাবার নাম এ টি এম আব্দুল আজিজ। তিনি ছিলেন পেশায় একজন আইনজীবি।
৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম ছাত্র নেতা ছিলেন শফি আহমেদ। সর্বদলীয় ছাত্রদের নিকট তিনি ছিলেন সর্বাধিক গ্রহণ যোগ্য। অনেকের কাছে তিনি তাত্মিক নেতা হিসেবে পরিচিত। তৎকালীন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের শীর্ষ নেতা শফী আহমেদ জাসদ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্ত্বে ১৯৯২ সালে গঠিত জনতার আদালতের সাথে শুরু থেকেই যুক্ত ছিলেন।
এরশাদ বিরোধী সেই দূর্বার দিন গুলোতে আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলো চমৎকার পারিবারিক সম্পর্ক। অনেক ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হয়ে আছেন। আবার শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত ও নির্ভরতার কারনে জাতীয় রাজনীতিতে অনেক সাড়া জাগানো নীতি নির্ধারনী বৈঠক কিংবা সিদ্ধান্ত গ্রহনের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পেরেছিলেন। শেখ হাসিনা এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তাকে যথাযথ মূল্যায়ন করে কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান দিয়েছিলেন। নেত্রকোণা-৪ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী হিসাবে (মদন, খালিয়াজুরী ও মোহনগঞ্জ) উপজেলা থেকে তিনি মনোনয়নও পেয়েছিলেন।কিন্তু ১/১১ এর পর তার সব কিছুই ওলোট-পালোট করে দেয়। তিনি ভোটারদের সঙ্গে অন্তরঙ্গ হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন দীর্ঘদিন থেকে।
পারিবারিক জীবনে তিনি এক ভাই ও ছয় বোন। তিনি আঞ্জুমান থেকে এসএসসি ও নেত্রকোণা সরকারী কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে সম্মান সহ মাস্টার্স ডিগ্রী সম্পন্ন করে আওয়ামী রাজনীতিতে অ্ংশ গ্রহণ করেন। তাঁর স্ত্রী তাহেরা খন্দকার এবং দুই ছেলে আফসিন ও আলদিন । আফসিন কানাডা, আলদিন লন্ডন পড়াশুনা করেন।
তিনি হাওড়রের ছেলে, হাওড়কে নিয়েই স্বপ্ন দেখেন। হাওড় বাসীকে নিয়েই তাঁর সার্বক্ষনিক ভাবনা।হাওড়বাসী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন শফি আহমেদের নেতৃত্বে মদন, মোহনগঞ্জ ও খালিয়াজুরী উপজেলা তথা ভাটি বাংলা ঠিকই উন্নয়নের মুখ দেখবে তাঁর জন্মদিনে স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করে উনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।
