মোঃ মোরশেদ মিয়া
প্রতিনিধি গাইবান্ধা
গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলার কোমরপুরের মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামে গড়ে ওঠা রাধা গোবিন্দ কালী মন্দিরের মুল স্বত্বাধিকারী হরিদাস চন্দ্র তরণীদাস এর বিরুদ্ধে দিন যতই যাচ্ছে ততই বেড়িয়ে আসছে প্রতারণা সহ একের পর এক দূর্নীতির নাতি দীর্ঘ খতিয়ান। সে এখনো বিদেশে লোক পাঠানোর নামে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। বর্তমানে সে পলাশবাড়িতে মন্দিরকে ঘিরে করছে কোটি কোটি টাকার কারবার। তাই তার আয়ের উৎস নিয়ে সচেতন জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগে প্রকাশ, উল্লেখিত শ্রী হরিদাস চন্দ্র তরণীদাস সম্প্রতি দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট এলাকার জনৈক যুবককে দক্ষিণ কোরিয়ায় পাঠানোর কথা বলে সাড়ে ১১ লক্ষ টাকা চুক্তি করে ইতোমধ্যে সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। তাকে এক মাসের মধ্যে প্রেরণের কথা থাকলেও অদ্যাবধি না পাঠিয়ে তাল বাহানা করছে। এভাবে সাড়া দেশে অসংখ্য লোকের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে এলাকায় ভালো মানুষ সাজতে খরচ করছে মন্দিরে। সে স্থানীয় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনসহ সকল মহলকে ম্যানেজ করে এই মন্দির পরিচালনা করছে বলে এলাকার সচেতন মহল জানিয়েছে ! তবে ইতোমধ্যে বেড়িয়ে আসা শুরু হয়েছে হরিদাস চন্দ্র তরনীদাসের ভয়ংকর প্রতারণার খতিয়ান। যা পরবর্তীতে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।
এদিকে সম্প্রতি উল্লেখিত প্রতারক হরিদাস চন্দ্র তরণীদাসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্য বিভিন্ন মহলে দেনদরবার শুরু করেছে। ইতোমধ্যে সে কয়েকশো কোটি টাকার মালিক হয়েছে। তবে বর্তমানে সে প্রতারণার ধরণ পাল্টিয়ে আদম ব্যবসার নামে মানব পাচার থেকে সকল ধরনের অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়ছে। তার বিরুদ্ধে কোন সাংবাদিক রিপোর্ট করতে গেলে তাকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে ম্যানেজ করতে না পারলে সেই সাংবাদিককে জীবননাশের হুমকিসহ বিভিন্ন ধরনের ভয়-ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে থাকেন। তাই ওই এলাকার সচেতন মহলের দাবি গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগ কারি সংস্থা খতিয়ে দেখার জন্য উদ্যোক্ত আহ্বান জানিয়েছেন প্রশাসনের প্রতি।
