মোঃ মিঠু মিয়া
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি,
গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বালাসীঘাট হতে দেওয়ানগঞ্জের বাহাদুরাবাদ ঘাটের উদ্দেশ্যে চলাচল শুরু করেছে যাত্রীবাহি নৌকা। এতে করে বালুচর হেটে গন্তব্যস্থলের উদ্দেশ্যে ছুটে চলা যাত্রীদের ভোগান্তি কমেছে৷ লঞ্চ ও নৌকা ইজারাদার মালিক কর্তৃপক্ষর প্রত্যাশা নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে আবারও শুরু হবে লঞ্চ চলাচল।
প্র গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলার বালাসীঘাট ও জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ এর বাহাদুরাবাদ ঘাট হতে প্রতিনিয়ত রংপুর, সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা, ঢাকা সহ বিভিন্ন জেলার অসংখ্য মানুষ নদী পথে চলাচল করে থাকে। তবে শুকনো মৌসুমে নদীর নাব্যতা সংকট এর কারনে বালাসীঘাট থেকে প্রায় ২ হতে ৩ কিলোমিটার দূরে নদী সরে যায়। ফলে খেয়া পার হয়ে কখনও হেটে কখনও বা ঘোড়ার গাড়ীতে করে লঞ্চ ও নৌকায় উঠে যাত্রীদের গন্তব্যস্থলে পৌঁছতে হত। এতে করে যাত্রীদের অতিরিক্ত অর্থ ও সময় দুটোই ব্যায় হত। বর্তমানে ব্রহ্মপুত্র নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বালাসী ঘাট হতে দেওয়ানগঞ্জ টু বাহাদুরাবাদ ঘাটের উদ্দেশ্যে সকাল থেকে নিয়মিত চারটি সময়ে চলছে যাত্রীবাহি নৌকা। এতে করে কমতে শুরু করেছে বালুচর হেটে গন্তব্যস্থলের উদ্দেশ্যে ছুটে চলা যাত্রীদের ভোগান্তি। বর্তমানে গত ২০ দিন ধরে পানি বৃদ্ধিতে বালাসীঘাট তার চিরচেনা রুপ কিছুটা ফিরে পেতে বসেছে।
জামালপুর সদরের বাসিন্দা নৌকা যাত্রী আব্দুল আজিজ বলেন, আগে খুব কষ্ট হত। এখন ঘাটে পানি আসায় ঘাটে নামা মাত্র নৌকা পাচ্ছি। খুব ভাল লাগছে।
জামালপুর জেলার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া নৌকার অপর যাত্রী জানান, গত বছর নদী দূরে ছিল। লঞ্চে গিয়েছিলাম। এখন লঞ্চ পাচ্ছিনা। তবে কর্তৃপক্ষ যদি নদীটা ঠিক মত খনন করত তাহলে আমারা যাত্রীরা সেবা ভাল পেতাম।
গাইবান্ধার বালাসীঘাটের নৌকা ও লঞ্চ ইজারাদার মালিক কর্তৃপক্ষ পাপুল সরকার জানান, নদীঘাট এখন বালাসীর মুল পয়েন্টে। আমরা এতদিন লঞ্চ চালালাম। হটাৎ করে পানি বৃদ্ধিতে চর ডুবে যাওয়ায় পানি ঘাটের কাছে চলে এসেছে। কয়েকদিনের মধ্যে লঞ্চ চলাচল শুরু হবে আশাকরি। এখন সকাল ১০ টায়, দুপুর ১২ টায়, দুপুর আড়াইটায় ও বিকেল ৪ টায় নিয়মিত নৌকা চলাচল করছে৷ যাত্রীদের কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে ও নিরাপত্তার স্বার্থে নৌকায় লাইফ জ্যাকেট, বয়া ও পলিথিন রাখা হয়েছে। যাত্রীরা স্বাচ্ছন্দে যাতায়াত করতে পারবেন।
