গাইবান্ধা প্রতিনিধি
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্মের রিকুইজিশন করা ১৮৪২.৩০ একর সম্পত্তি আদিবাসীদের ফেরতসহ সাত দফা দাবি আদায়ে শনিবার গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্ম ভূমি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটির সভাপতি
বার্নাবাস টুডু সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ৭ দফা উল্লেখ করেন।
দাবিগুলো হচ্ছে গোবিন্দগঞ্জের সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্মের রিকুইজিশন
করা ১৮৪২.৩০ একর সম্পত্তি আদিবাসীদের ফেরত, আদিবাসীদের সম্পত্তি
কোন সরকার/কর্তৃপক্ষ কর্তৃক রিকুইজিশন করা এখতিয়ার বহির্ভুত
হওয়ায় এ ধরণের কার্য বাতিল ও পৃথক ভুমি কমিশন গঠন করে আদিবাসীদের
সম্পত্তি ফেরত, আদিবাসী সাঁওতাল পল্লীতে ভাংচুর অগ্নিসংযোগ
লুটপাট গুলি করে নিহত ও গুরুতর আহত করার সঙ্গে জড়িত উস্কানীদাতা
সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, নিহত ও আহতদের জন্য ক্ষতিপূরণ, ২০১৬
সালের ৬ নভেম্বরের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত আদিবাসী বাঙালিদের বিরুদ্ধে
মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও আদিবাসী-বাঙালি নারী-পুরুষের ওপর স্থানীয়
সন্ত্রাসীদের জুলুম ও পুলিশী হয়রানি বন্ধ করা, ১৯৪৮ সালে রিকুইজিশন অব
প্রোপাটি আইন মোতাবেক যে কার্যের জন্য (ইক্ষুচাষ) গ্রহণ হয় তা না
করা হলে খেসারতসহ পূর্বমালিক আদিবাসীদের ফেরতের বিধান বাস্তবায়ন,
আদিবাসী সাঁওতালদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িতদের
দ্রুত বিচার সম্পন্ন করা এবং ২০০৪ সালে সুগার মিল বন্ধের পর
প্রভাবশালীদের মাঝে লিজের নামে যে অর্থআত্মসাৎ ও দুর্নীতি হয়েছে
সেই দুর্নীতিবাজদের চিহ্নিত করে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, সাঁওতাল হত্যাকান্ডের দীর্ঘদিন অতিবাহিত
হলেও বিচারের বাণী নিভৃতেই কাঁদছে। এখনো তারা হত্যাকান্ডের কোন
বিচার পায়নি বলে জানান। বরং তাদের নানা ধরণের হুমকি দেয়া হচ্ছে। ফলে
তারা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস।
তারা মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এগিয়ে
আসারও আহবান জানান ও তাদের দাবি আদায়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা
করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আদিবাসী গবেষণা পরিষদের চেয়ারম্যান
অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়ক সদস্য অধ্যাপক
চিনু কবির, বাংলাদেশ ভুমিহীন আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র
সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ ছামিউল আলম রামু, সাংগঠনিক সম্পাদক রাফায়েল
হাসদা, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক স্বপন শেখ, রাস্ট্র সংস্কার আন্দোলনেরগাইবান্ধায় সাঁওতাল্লীতে হামলা
হত্যার বিচারসহ সাতদফা দাবী বাস্তবায়নে
সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ সমাবেশ
গাইবান্ধা প্রতিনিধি
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্মের রিকুইজিশন করা
১৮৪২.৩০ একর সম্পত্তি আদিবাসীদের ফেরতসহ সাত দফা দাবি আদায়ে
শনিবার গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্ম ভূমি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটির সভাপতি
বার্নাবাস টুডু সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ৭ দফা উল্লেখ করেন।
দাবিগুলো হচ্ছে গোবিন্দগঞ্জের সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্মের রিকুইজিশন
করা ১৮৪২.৩০ একর সম্পত্তি আদিবাসীদের ফেরত, আদিবাসীদের সম্পত্তি
কোন সরকার/কর্তৃপক্ষ কর্তৃক রিকুইজিশন করা এখতিয়ার বহির্ভুত
হওয়ায় এ ধরণের কার্য বাতিল ও পৃথক ভুমি কমিশন গঠন করে আদিবাসীদের
সম্পত্তি ফেরত, আদিবাসী সাঁওতাল পল্লীতে ভাংচুর অগ্নিসংযোগ
লুটপাট গুলি করে নিহত ও গুরুতর আহত করার সঙ্গে জড়িত উস্কানীদাতা
সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, নিহত ও আহতদের জন্য ক্ষতিপূরণ, ২০১৬
সালের ৬ নভেম্বরের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত আদিবাসী বাঙালিদের বিরুদ্ধে
মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও আদিবাসী-বাঙালি নারী-পুরুষের ওপর স্থানীয়
সন্ত্রাসীদের জুলুম ও পুলিশী হয়রানি বন্ধ করা, ১৯৪৮ সালে রিকুইজিশন অব
প্রোপাটি আইন মোতাবেক যে কার্যের জন্য (ইক্ষুচাষ) গ্রহণ হয় তা না
করা হলে খেসারতসহ পূর্বমালিক আদিবাসীদের ফেরতের বিধান বাস্তবায়ন,
আদিবাসী সাঁওতালদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িতদের
দ্রুত বিচার সম্পন্ন করা এবং ২০০৪ সালে সুগার মিল বন্ধের পর
প্রভাবশালীদের মাঝে লিজের নামে যে অর্থআত্মসাৎ ও দুর্নীতি হয়েছে
সেই দুর্নীতিবাজদের চিহ্নিত করে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, সাঁওতাল হত্যাকান্ডের দীর্ঘদিন অতিবাহিত
হলেও বিচারের বাণী নিভৃতেই কাঁদছে। এখনো তারা হত্যাকান্ডের কোন
বিচার পায়নি বলে জানান। বরং তাদের নানা ধরণের হুমকি দেয়া হচ্ছে। ফলে
তারা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস।
তারা মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এগিয়ে
আসারও আহবান জানান ও তাদের দাবি আদায়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা
করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আদিবাসী গবেষণা পরিষদের চেয়ারম্যান
অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়ক সদস্য অধ্যাপক
চিনু কবির, বাংলাদেশ ভুমিহীন আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র
সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ ছানমিউল আলম রাসু, সাংগঠনিক সম্পাদক রাফায়েল
হাসদা, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক স্বপন শেখ, রাস্ট্র সংস্কার আন্দোলনের
সমন্বয়ক মিনাল কান্তি বর্মন, আতাউর রহমান সাবু, আরিফুল ইসলাম
মিজান, রোমেলা কিস্কু ও গনেশ মুরমু প্রমুখ।
এদিন একই দাবীতে গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষো সমাবেশ
করেন সাঁওতালরা। মিঃ বার্নাবাস টুডুর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য
রাখেন, সাহেবগঞ্জ ভূমি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক
রাফায়েল হাসদা, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক স্বপন শেখ, রাস্ট্র সংস্কার
আন্দোলনের সমন্বয়ক মিনাল কান্তি বর্মন, আতাউর রহমান সাবু, আরিফুল
ইসলাম মিজান, রোমেলা কিস্কু ও গনেশ মুরমু প্রমুখ।
এর আগে সহস্রাধিক নারী-পুরুষ পতাকা, ফেস্টুন, ব্যানার হাতে একটি
বিক্ষোভ মিছিল শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সমাবেশে অংশ নেন।

By news

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *